‘হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত লেবানন ছাড়বে না ইসরায়েল’
ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ সম্পূর্ণ নিরস্ত্র ও সামরিকীকরণমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত দক্ষিণ লেবানন থেকে নিজেদের সেনা প্রত্যাহার করবে না বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে চলমান আলোচনার মধ্যেই সহকডডিপ এ অবস্থান স্পষ্ট করেছে তেল আবিব। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে ইসরায়েলি সরকারের মুখপাত্র ডেভিড মেন্সার বলেন, যতদিন হিজবুল্লাহ হুমকি হিসেবে থাকবে, নিরস্ত্র না হবে এবং সামরিক কাঠামো ভেঙে না ফেলবে, ততদিন আমরা দক্ষিণ লেবানন থেকে আমাদের বাহিনী প্রত্যাহার করব না। ওয়াশিংটনে দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সরাসরি আলোচনা চলার সময় ইসরায়েলের এই মন্তব্য করল। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘর্ষের মাত্রা কমলেও সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি। ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে, দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক উপস্থিতি তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। অন্যদিকে লেবানন বারবার ইসরায়েলি বাহিনীর দখলকৃত এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, হিজবুল্লাহ
ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ সম্পূর্ণ নিরস্ত্র ও সামরিকীকরণমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত দক্ষিণ লেবানন থেকে নিজেদের সেনা প্রত্যাহার করবে না বলে জানিয়েছে ইসরায়েল।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে চলমান আলোচনার মধ্যেই সহকডডিপ এ অবস্থান স্পষ্ট করেছে তেল আবিব।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে ইসরায়েলি সরকারের মুখপাত্র ডেভিড মেন্সার বলেন, যতদিন হিজবুল্লাহ হুমকি হিসেবে থাকবে, নিরস্ত্র না হবে এবং সামরিক কাঠামো ভেঙে না ফেলবে, ততদিন আমরা দক্ষিণ লেবানন থেকে আমাদের বাহিনী প্রত্যাহার করব না।
ওয়াশিংটনে দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সরাসরি আলোচনা চলার সময় ইসরায়েলের এই মন্তব্য করল। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘর্ষের মাত্রা কমলেও সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি।
ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে, দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক উপস্থিতি তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। অন্যদিকে লেবানন বারবার ইসরায়েলি বাহিনীর দখলকৃত এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণকে সেনা প্রত্যাহারের পূর্বশর্ত হিসেবে তুলে ধরে ইসরায়েল কার্যত দক্ষিণ লেবাননে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতির ইঙ্গিত দিল। এ অবস্থান চলমান আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
What's Your Reaction?