হেরে গেলেন যেসব হেভিওয়েট প্রার্থীরা

ভোটের মাঠে নাম ছিল, প্রভাব ছিল, ছিল দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার ভার তবু শেষ হাসি হাসতে পারলেন না অনেকে। এবারের নির্বাচনে চমক দেখিয়েছে ভোটাররাই; একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থীকে হারিয়ে বদলে দিয়েছেন সমীকরণ। বহুদিনের শক্ত ঘাঁটি, প্রতিষ্ঠিত নেতৃত্ব আর পরিচিত মুখ সবকিছুকে ছাপিয়ে ফলাফলে উঠে এসেছে নতুন বার্তা। খুলনা-৫ আসন থেকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, খুলনা-২ থেকে খুলনা নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু এবং খুলনা-১ আসনের জামায়াতের আলোচিত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী হেরে গেছেন। এছাড়া এনসিপির সারজিস আলম, বিএনপি নেতা এম এ কাইয়ুম, জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আজাদ, এবি পার্টির সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু হেরে গেছেন। এই তালিকায় আরও আছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক। জামায়াতের প্রার্থীর কাছে হার মেনেছেন ফুটবলার আমিনুল হকও। লড়াই শেষে মামুনুল হকের পরাজয় ঢাকা-১৩ আসনে (মোহাম্মদপুর-আদাবর-শ্যামলী) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হককে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭টি ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১

হেরে গেলেন যেসব হেভিওয়েট প্রার্থীরা

ভোটের মাঠে নাম ছিল, প্রভাব ছিল, ছিল দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার ভার তবু শেষ হাসি হাসতে পারলেন না অনেকে। এবারের নির্বাচনে চমক দেখিয়েছে ভোটাররাই; একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থীকে হারিয়ে বদলে দিয়েছেন সমীকরণ। বহুদিনের শক্ত ঘাঁটি, প্রতিষ্ঠিত নেতৃত্ব আর পরিচিত মুখ সবকিছুকে ছাপিয়ে ফলাফলে উঠে এসেছে নতুন বার্তা।

খুলনা-৫ আসন থেকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, খুলনা-২ থেকে খুলনা নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু এবং খুলনা-১ আসনের জামায়াতের আলোচিত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী হেরে গেছেন। এছাড়া এনসিপির সারজিস আলম, বিএনপি নেতা এম এ কাইয়ুম, জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আজাদ, এবি পার্টির সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু হেরে গেছেন। এই তালিকায় আরও আছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক। জামায়াতের প্রার্থীর কাছে হার মেনেছেন ফুটবলার আমিনুল হকও।

লড়াই শেষে মামুনুল হকের পরাজয়

হেলে গেলেন যেসব হেভিওয়েট প্রার্থীরা
ঢাকা-১৩ আসনে (মোহাম্মদপুর-আদাবর-শ্যামলী) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হককে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭টি ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনি জোটের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭টি ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ২ হাজার ৩২০।

ওই আসনের ১৩৯টি কেন্দ্রের ফলাফল প্রকাশ শুরু হওয়ার পর থেকেই দেখা গেছে, একে অন্যের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে এই দুই প্রার্থীর। ভোটের আগে এক জরিপেও ববি হাজ্জাজ ও মামুনুল হকের মধ্যে তুমুল লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গিয়েছিল। এই আসন থেকে ববি হাজ্জাজ ও মামুনুল হক ছাড়াও আরো সাতজন প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে অংশ নিয়েছেন। এই সাত প্রার্থী সব মিলিয়ে ভোট পেয়েছেন তিন হাজার ৮১৩টি।

দুই আসনেই হেরে গেছেন ফয়জুল করীম

দুই আসনেই হেরে গেছেন ফয়জুল করীম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ ও ৬ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের কাছে পরাজিত হয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির এবং হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল-৫ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, বরিশাল-৫ আসনের মোট ১৭৬টি কেন্দ্রের সবগুলোতেই গণনা সম্পন্ন হয়েছে। এই আসনে মজিবর রহমান সরোয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৩১ হাজার ৪৩১ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করীম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫২৮ ভোট।

বরিশাল-৬ আসনেও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেননি ফয়জুল করীম। এ আসনের মোট ১১৩টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এবং বরিশাল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হোসেন খান পেয়েছেন ৮১ হাজার ৮৭ ভোট। দ্বিতীয় হয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ মাহমুদুন্নবি। তিনি পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৫৩৩ ভোট। হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করীম পেয়েছেন ২৮ হাজার ৮২৩ ভোট। যা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম বলে মনে করছেন ভোটাররা।

জামায়াত নেতা আযাদ হেরে গেছেন

সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদকক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতবদিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ হেরে গেছেন। তার নিকটতম প্রার্থী আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ ৩৫ হাজার ৬২৮ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত  হয়েছেন। ১২৪ কেন্দ্রের ফলাফলে আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৬২ ভোট। হামিদুর রহমান আযাদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৬৩৪ ভোট। আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ ৩৫ হাজার ৬২৮ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

ফুটবলার আমিনুলের পরাজয়

বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমিনুল হকঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ঢাকা-১৬ আসনের ১৩৭টি কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মো. আব্দুল বাতেন মোট ভোট পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৮২৩টি। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমিনুল হক পেয়েছেন মোট ৮৪ হাজার ২০৭ ভোট।

সারজিস আলমও হেরে গেছেন

বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমিনুল হকপঞ্চগড়-১ (তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড় সদর ও অটোয়ারী) আসনে বিএনপি প্রার্থী নওশাদ জমির বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৩০ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১১ দলীয় জোটের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সারজিস আলম শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১২৬ ভোট। ১৫৫ কেন্দ্রের এ আসনে বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ৮৩০৪।

কৃষ্ণ নন্দী হেরেছেন ৫০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে

হিন্দু কমিটির সাবেক সভাপতি কৃষ্ণ নন্দী

হিন্দু-অধ্যুষিত খুলনার দাকোপ ও বটিয়াঘাটা উপজেলা নিয়ে গঠিত খুলনা-১ আসনে এবারের নির্বাচনে ১২ জন প্রার্থী ছিলেন। এর মধ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের আটজন প্রার্থী মাঠে ছিলেন। জামায়াতে ইসলামী প্রথা ভেঙে ডুমুরিয়া উপজেলা হিন্দু কমিটির সাবেক সভাপতি কৃষ্ণ নন্দীকে এখানে প্রার্থী করে। তিনি সারা দেশে আলোচনা তৈরি করতে পেরেছিলেন। তবে ভোটের মাঠে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেননি। ছয়টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হেরেছেন কৃষ্ণ নন্দী।


খুলনা-১ আসনে বিএনপির আমির এজাজ খান পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ৩৫২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কৃষ্ণ নন্দী পান ৭০ হাজার ৩৪৬ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৫১ হাজার ৬। এই আসনে পোস্টাল কেন্দ্রসহ মোট কেন্দ্র ছিল ১২০টি। এখানে তৃতীয় অবস্থানে আছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবু সাঈদ। তিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ৬১৯ ভোট।

হেরে গেলেন হেভিওয়েট প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু

হেভিওয়েট প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুখুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে হারিয়ে জামায়াতে ইসলামীর শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল বিজয়ী হয়েছেন। জামায়াতের প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৭৮৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৮ হাজার ১৯৭ ভোট। দুজনের ভোটের ব্যবধান ৫ হাজার ৫৯২। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আমানুল্লাহ হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ২৯৮ ভোট।

২০০৮ সালে খুলনার ছয়টি আসনের মধ্যে একমাত্র বিএনপির প্রার্থী হিসেবে খুলনা-২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। ২০০১ সালে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এই আসন থেকে জয় পান। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে এখানে বিএনপি থেকে জয় পান সাবেক স্পিকার শেখ রাজ্জাক আলী। ১৯৯৬ সালের পর এই আসনে কখনো প্রার্থী দেয়নি জামায়াত।

মিয়া গোলাম পরওয়ার জিততে পারেননি

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়া

খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার হেরে গেছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৪৬ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮৫৪ ভোট। ব্যবধান ২ হাজার ৬০৮। পোস্টাল কেন্দ্রসহ আসনটিতে মোট কেন্দ্র ছিল ১৫১টি। পরওয়ার ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে। ২০০৮ ও ২০১৮ সালেও তিনি বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী ছিলেন। এ আসনের লক্ষাধিক ভোটার হিন্দু সম্প্রদায়ের। তাদের ভোট পেতে দুই প্রার্থীই চেষ্টা চালিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত হিন্দু ভোট ও আওয়ামী লীগের ভোট ব্যবধান তৈরি করেছে বলে মনে করছেন রাজনীতি বিশ্লেষকেরা।

অবশেষে হেরে গেলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

অবশেষে হেরে গেলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীঢাকা-৮ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ৫ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়েছেন। শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানান, এই আসনের ১০৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০৮টিতে সরাসরি ভোট গ্রহণ হয়। এতে বিএনপির মির্জা আব্বাস ৫৬ হাজার ৫৫২ ভোট পান। এর সঙ্গে তিনি ২ হাজার ৮১৪টি পোস্টাল ভোট পেয়েছেন। তাতে মোট ভোট পড়ে ৫৯ হাজার ৩৬৬। অন্যদিকে, ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী ১০৮টি কেন্দ্রে পেয়েছেন ৫১ হাজার ৫৭২ ভোট। এর সঙ্গে তিনি পোস্টাল ভোট পেয়েছেন ২ হাজার ৫৫৫টি। তাতে তাঁর পক্ষে মোট ভোট পড়ে ৫৪ হাজার ১২৭টি।

হেরে গেলেন তাসনিম জারা

হেরে গেলেন তাসনিম জারা

তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট। ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে হাবিবুর রশিদ পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট। জাবেদ মিয়ার তুলনায় ৫৭ হাজার ৭৫২ ভোট এবং তাসনিম জারার তুলনায় ৬৬ হাজার ৫২৮ ভোট বেশি পেয়ে জয় নিশ্চিত করেন হাবিবুর রশিদ।

এ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৭০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৩৫৬ জন। ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ২১ হাজার ৬৮১ জন। বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৯৯৩টি ভোট। ফলে বৈধ ভোট দাঁড়ায় ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৮৮টি। অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শাহ ইফতেখার আহসান হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৮২৭ ভোট। জাতীয় পার্টির কাজী আবুল খায়ের লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ২ ভোট।

এমওএস/জেএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow