হেরে যাওয়া অসুস্থ বিএনপি প্রার্থীকে দেখতে গেলেন বিজয়ী জামায়াত প্রার্থী

নির্বাচনী লড়াই শেষে রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ। নির্বাচনে পরাজিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়া বিএনপির প্রার্থী ফারুক আলম সরকারকে দেখতে তার বাড়িতে ছুটে গিয়েছেন তিনি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে ১৪৬টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে দাড়িপাল্লা প্রতীকে আব্দুল ওয়ারেছ ৮৯ হাজার ২৭৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ফারুক আলম সরকার পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৮৩ ভোট। নির্বাচনী প্রচারণার দীর্ঘ ক্লান্তি এবং ফলাফল ঘোষণার পর শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে বর্তমানে বিশ্রামে রয়েছেন ফারুক আলম সরকার। এই খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে পরাজিত প্রার্থীর বাসভবনে গিয়ে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেন বিজয়ী প্রার্থী আব্দুল ওয়ারেছ। এ সময় তিনি ফারুক আলমের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া করেন। স্থানীয়রা জানান, ভোটের যুদ্ধে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী থাকলেও দুই নেতার এমন আন্তরিকতা সাধারণ মানুষ

হেরে যাওয়া অসুস্থ বিএনপি প্রার্থীকে দেখতে গেলেন বিজয়ী জামায়াত প্রার্থী

নির্বাচনী লড়াই শেষে রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ। নির্বাচনে পরাজিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়া বিএনপির প্রার্থী ফারুক আলম সরকারকে দেখতে তার বাড়িতে ছুটে গিয়েছেন তিনি।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে ১৪৬টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে দাড়িপাল্লা প্রতীকে আব্দুল ওয়ারেছ ৮৯ হাজার ২৭৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ফারুক আলম সরকার পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৮৩ ভোট।

নির্বাচনী প্রচারণার দীর্ঘ ক্লান্তি এবং ফলাফল ঘোষণার পর শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে বর্তমানে বিশ্রামে রয়েছেন ফারুক আলম সরকার। এই খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে পরাজিত প্রার্থীর বাসভবনে গিয়ে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেন বিজয়ী প্রার্থী আব্দুল ওয়ারেছ। এ সময় তিনি ফারুক আলমের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া করেন।

স্থানীয়রা জানান, ভোটের যুদ্ধে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী থাকলেও দুই নেতার এমন আন্তরিকতা সাধারণ মানুষের মনে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এই চিত্র স্থানীয় রাজনীতিতে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow