হেরোইন উদ্ধারের মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবন, এক নারী খালাস
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর দয়াগঞ্জ এলাকা থেকে হেরোইন উদ্ধারের মামলায় ইমরান ও রবিন নামে দুই ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৩ এপ্রিল) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন চৌধুরী এ রায় দেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সানজিদা নামে এক নারীকে খালাস দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর জহিরুল ইসলাম (কাইয়ুম) বলেন, দণ্ডের পাশাপাশি দুই আসামিকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের তিন মাস সশ্রম কারাভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার বিবরণ থেকে, ২০১৯ সালের ২৩ জানুয়ারি রাত ১০টার দিকে পুলিশ গোপন সংবাদে জানতে পারে যাত্রাবাড়ীর দয়াগঞ্জ এলাকায় হেরোইন বিক্রি হচ্ছে। সেখানে অভিযান চালিয়ে ইমরান ও রবিনকে আটক করে। বেবি ও সানজিদা নামে দুই মাদক কারবারি পালিয়ে যায়। ইমরান ও রবিনের কাছ থেকে ১১৮ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওইদিনই যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসেন জনি মামলাটি করেন। মামলাটি তদন্ত করে একই বছরের
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর দয়াগঞ্জ এলাকা থেকে হেরোইন উদ্ধারের মামলায় ইমরান ও রবিন নামে দুই ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন চৌধুরী এ রায় দেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সানজিদা নামে এক নারীকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর জহিরুল ইসলাম (কাইয়ুম) বলেন, দণ্ডের পাশাপাশি দুই আসামিকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের তিন মাস সশ্রম কারাভোগ করতে হবে।
রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার বিবরণ থেকে, ২০১৯ সালের ২৩ জানুয়ারি রাত ১০টার দিকে পুলিশ গোপন সংবাদে জানতে পারে যাত্রাবাড়ীর দয়াগঞ্জ এলাকায় হেরোইন বিক্রি হচ্ছে। সেখানে অভিযান চালিয়ে ইমরান ও রবিনকে আটক করে। বেবি ও সানজিদা নামে দুই মাদক কারবারি পালিয়ে যায়। ইমরান ও রবিনের কাছ থেকে ১১৮ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ওইদিনই যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসেন জনি মামলাটি করেন। মামলাটি তদন্ত করে একই বছরের ২৩ এপ্রিল ইমরান, রবিন ও সানজিদাকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক মুকিত হাসান। তবে বেবির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।
২০১৯ সালের ২৭ জুন তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।
What's Your Reaction?