হেলিকপ্টারে বাড়ি ফিরলেন ইতালি প্রবাসী
নিজের স্বপ্ন পূরণে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে বাড়িতে ফিরলেন লাল মাহমুদ নামের এক ইতালি প্রবাসী। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে হেলিকপ্টারযোগে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের স্থলবল্লায় নামেন তিনি। এর আগে একটি ফ্লাইটে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন লাল মাহমুদ। লাল মাহমুদ ওই গ্রামের সালামত হাজীর ছেলে। জানা যায়, লিবিয়া থেকে লাল মাহমুদ ইতালিতে পাড়ি জমান। ইতালি থেকে প্রায় ১৩ বছর পর একটি ফ্লাইটে শুক্রবার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন। সেখানে উপস্থিত থাকা স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে তিনি হেলিকপ্টারযোগে বাড়িতে ফিরেন। হেলিকপ্টারে চড়ে আসার খবর পেয়ে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়রা বাড়ির সামনে ভিড় জমান। হেলিকপ্টার থেকে নামার পর তাকে ফুলের তোড়া ও মালা দিয়ে বরণ করা হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে বাসাইল থানা পুলিশের কয়েকজন সদস্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ইতালি প্রবাসী লাল মাহমুদ বলেন, ‘২০১৪ সালে লিবিয়া থেকে ইতালিতে যাই। ইতালি যাওয়ার পর প্রথম দেশে ফিরলাম। মনে একটা আবেগ ছিল, স্বপ্ন ছিল সে কারণে হেলিকপ্টারের উদ্যোগ নেই। হেলিকপ্টারে আসার জন্য আমার পরিবার ও আমি নিজেও অনেক খুশি হয়ে
নিজের স্বপ্ন পূরণে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে বাড়িতে ফিরলেন লাল মাহমুদ নামের এক ইতালি প্রবাসী। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে হেলিকপ্টারযোগে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের স্থলবল্লায় নামেন তিনি। এর আগে একটি ফ্লাইটে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন লাল মাহমুদ।
লাল মাহমুদ ওই গ্রামের সালামত হাজীর ছেলে।
জানা যায়, লিবিয়া থেকে লাল মাহমুদ ইতালিতে পাড়ি জমান। ইতালি থেকে প্রায় ১৩ বছর পর একটি ফ্লাইটে শুক্রবার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন। সেখানে উপস্থিত থাকা স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে তিনি হেলিকপ্টারযোগে বাড়িতে ফিরেন। হেলিকপ্টারে চড়ে আসার খবর পেয়ে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়রা বাড়ির সামনে ভিড় জমান। হেলিকপ্টার থেকে নামার পর তাকে ফুলের তোড়া ও মালা দিয়ে বরণ করা হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে বাসাইল থানা পুলিশের কয়েকজন সদস্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
ইতালি প্রবাসী লাল মাহমুদ বলেন, ‘২০১৪ সালে লিবিয়া থেকে ইতালিতে যাই। ইতালি যাওয়ার পর প্রথম দেশে ফিরলাম। মনে একটা আবেগ ছিল, স্বপ্ন ছিল সে কারণে হেলিকপ্টারের উদ্যোগ নেই। হেলিকপ্টারে আসার জন্য আমার পরিবার ও আমি নিজেও অনেক খুশি হয়েছি। যেসব প্রবাসীরা দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে, তাদের মনেও একটা আবেগ আছে।’
এ ব্যাপারে ইতালি প্রবাসী লাল মাহমুদের মা শেফালি বেগম বলেন, ‘গ্রামের মধ্যে প্রথম আমার ছেলে হেলিকপ্টারে চড়ে বাড়িতে ফিরেছে। এ কারণে আমি অনেক খুশি হয়েছি। মা হিসেবে আমার অনেক ভালো লেগেছে, অনেক আনন্দিত হয়েছি।’
আব্দুল্লাহ আল নোমান/আরএইচ/এএসএম
What's Your Reaction?