হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যাওয়া আ.লীগ নেতা ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের গ্রেপ্তার
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে পুলিশ হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফ (হাতকড়া) পরা অবস্থায় পালিয়ে যাওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) রাতে উপজেলার বীরতারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তারকৃত সাব্বির শেখ (৩৫) শ্রীনগর উপজেলার বীরতারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ওই এলাকার মানিক শেখের ছেলে। শ্রীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আনিছুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২০২৫ সালে দায়েরকৃত সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করতে গতকাল রাত পৌনে ৯টার দিকে পুলিশ তার বাড়িতে যায়। এ সময় তার দুই হাতে হ্যান্ডকাফ পরানো হয়। এতে পরিবারের সদস্যরা উত্তেজিত হয়ে চিৎকার শুরু করেন। পরে আশপাশের লোকজন জড়ো হলে একপর্যায়ে হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় কৌশলে পালিয়ে যান সাব্বির শেখ। পরে পুলিশের একাধিক দল অভিযান শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাত পৌনে ১২টার দিকে বাড়ি থেকে ২-৩ কিলোমিটার দূর থেকে তাকে আবার গ্রেপ্তার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপা
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে পুলিশ হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফ (হাতকড়া) পরা অবস্থায় পালিয়ে যাওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) রাতে উপজেলার বীরতারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তারকৃত সাব্বির শেখ (৩৫) শ্রীনগর উপজেলার বীরতারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ওই এলাকার মানিক শেখের ছেলে।
শ্রীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আনিছুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ২০২৫ সালে দায়েরকৃত সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করতে গতকাল রাত পৌনে ৯টার দিকে পুলিশ তার বাড়িতে যায়। এ সময় তার দুই হাতে হ্যান্ডকাফ পরানো হয়। এতে পরিবারের সদস্যরা উত্তেজিত হয়ে চিৎকার শুরু করেন। পরে আশপাশের লোকজন জড়ো হলে একপর্যায়ে হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় কৌশলে পালিয়ে যান সাব্বির শেখ। পরে পুলিশের একাধিক দল অভিযান শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাত পৌনে ১২টার দিকে বাড়ি থেকে ২-৩ কিলোমিটার দূর থেকে তাকে আবার গ্রেপ্তার করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আনিছুর রহমান জানান, সাব্বির শেখ ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি না হলেও, মামলার দীর্ঘ তদন্তে এই সহিংসতায় তার জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট তথ্য ও নাম পাওয়া যায়। যার ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়েছিল।
এদিকে স্বজনদের দাবি, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি দীর্ঘদিন এলাকার বাইরে পলাতক ছিলেন। তবে গতকাল তার অসুস্থ মাকে দেখার জন্য গোপনে বাড়িতে এসেছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আওয়ামী লীগ নেতা সাব্বির শেখকে রোববার (২৮ জুন) যথাযথ পুলিশি পাহারায় আদালতে প্রেরণ করা হবে।
What's Your Reaction?