১০৪ প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ নিয়ে যা জানা গেল

দেশের বিভিন্ন জেলায় ১০৪টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি চিঠি ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়–১ অধিশাখার সচিব রাজীব কুমার সরকারের সই করা এক স্মারকে বলা হয়েছে, সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আলমের সই করা বলে দাবি করা ০৩.০৬.২৬৯০.০৬৮.২৫.০০৩.২৬–৫৬ নম্বরের একটি পত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে। ওই চিঠিতে দেশের বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ে অবস্থিত ১০৪টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের অনুমোদনের কথা উল্লেখ করা হয়। তবে বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নজরে এলে সেখান থেকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়, প্রচারিত পত্রটি সঠিক নয় এবং এর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। ফলে চিঠিটিকে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে মাঠপর্যায়ের সব দপ্তর ও সংস্থাকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও স্মারকে উল্লেখ করা হয়। উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই চিঠিতে কুড়িগ্রাম, চাঁপাইন

১০৪ প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ নিয়ে যা জানা গেল
দেশের বিভিন্ন জেলায় ১০৪টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি চিঠি ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়–১ অধিশাখার সচিব রাজীব কুমার সরকারের সই করা এক স্মারকে বলা হয়েছে, সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আলমের সই করা বলে দাবি করা ০৩.০৬.২৬৯০.০৬৮.২৫.০০৩.২৬–৫৬ নম্বরের একটি পত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে। ওই চিঠিতে দেশের বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ে অবস্থিত ১০৪টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের অনুমোদনের কথা উল্লেখ করা হয়। তবে বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নজরে এলে সেখান থেকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়, প্রচারিত পত্রটি সঠিক নয় এবং এর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। ফলে চিঠিটিকে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে মাঠপর্যায়ের সব দপ্তর ও সংস্থাকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও স্মারকে উল্লেখ করা হয়। উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই চিঠিতে কুড়িগ্রাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নেত্রকোণা, বগুড়া, নীলফামারী, শেরপুর, লালমনিরহাট, নওগাঁ ও জামালপুরসহ বিভিন্ন জেলার ১০৪টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে সরকারিভাবে এ ধরনের কোনো তালিকা বা জাতীয়করণের অনুমোদনের সত্যতা নেই।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow