১০ মাসেই নায়ক ও গায়কের সলিল সমাধি, ‘প্রিয়া রে’ গানের অভিশাপ!
‘প্রিয়া রে প্রিয়া রে প্রিয়া রে, কাঁদে মন, কাঁদে এই হিয়া রে...’। গানের এই আর্তনাদ যেন আজ সত্যি হয়ে ফিরে এসেছে কোটি ভক্তের হৃদয়ে। জুবিন গার্গের সেই জাদুকরী কণ্ঠ আজ স্তব্ধ, আর সেই সুরের সঙ্গে মিশে থাকা চিরচেনা নায়ক রাহুলের হাসিমুখটিও আজ কেবলই স্মৃতি। এক অদ্ভুত আর নিষ্ঠুর সমাপতনে আজ বিদীর্ণ গোটা সিনেপাড়া।
গত বছর সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে পানির অতল গহ্বর থেকে আর ফিরে আসেননি সুরের জাদুকর জুবিন গার্গ। ‘পিয়া রে’ গানটিকে যিনি নিজের কণ্ঠ দিয়ে অমর করেছিলেন, সেই মানুষটিই হার মেনেছিলেন পানির কাছে। তার সেই অকাল বিদায়ে সঙ্গীত জগত হারিয়েছিল এক উজ্জ্বল নক্ষত্রকে।
জুবিনের মৃত্যুর ক্ষত এখনো শুকায়নি, অথচ ঠিক তার পরপরই আবারও কাঁদতে হলো বিনোদনপ্রেমীদের। ঠিক একইভাবে, ঠিক সেই পানির কাছেই জীবন যুদ্ধে হেরে গেলেন ‘পিয়া রে’ গানের সেই স্বপ্নের নায়ক— রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। ওড়িশার সৈকতে শুটিংয়ের অবসরে একটু প্রশান্তি খুঁজতে নেমেছিলেন লোনা পানিতে, কিন্তু সেই সমুদ্রই কেড়ে নিলো তার প্রাণ। নিছক কাকতালীয় হলেও এই ঘটনায় আজ বাকরুদ্ধ গোটা বিনোদন জগত।
২০০৮ সালে যে সিনেমাটি রাহুলের জীবন বদলে দিয়েছিল, যে গানটি
‘প্রিয়া রে প্রিয়া রে প্রিয়া রে, কাঁদে মন, কাঁদে এই হিয়া রে...’। গানের এই আর্তনাদ যেন আজ সত্যি হয়ে ফিরে এসেছে কোটি ভক্তের হৃদয়ে। জুবিন গার্গের সেই জাদুকরী কণ্ঠ আজ স্তব্ধ, আর সেই সুরের সঙ্গে মিশে থাকা চিরচেনা নায়ক রাহুলের হাসিমুখটিও আজ কেবলই স্মৃতি। এক অদ্ভুত আর নিষ্ঠুর সমাপতনে আজ বিদীর্ণ গোটা সিনেপাড়া।
গত বছর সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে পানির অতল গহ্বর থেকে আর ফিরে আসেননি সুরের জাদুকর জুবিন গার্গ। ‘পিয়া রে’ গানটিকে যিনি নিজের কণ্ঠ দিয়ে অমর করেছিলেন, সেই মানুষটিই হার মেনেছিলেন পানির কাছে। তার সেই অকাল বিদায়ে সঙ্গীত জগত হারিয়েছিল এক উজ্জ্বল নক্ষত্রকে।
জুবিনের মৃত্যুর ক্ষত এখনো শুকায়নি, অথচ ঠিক তার পরপরই আবারও কাঁদতে হলো বিনোদনপ্রেমীদের। ঠিক একইভাবে, ঠিক সেই পানির কাছেই জীবন যুদ্ধে হেরে গেলেন ‘পিয়া রে’ গানের সেই স্বপ্নের নায়ক— রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। ওড়িশার সৈকতে শুটিংয়ের অবসরে একটু প্রশান্তি খুঁজতে নেমেছিলেন লোনা পানিতে, কিন্তু সেই সমুদ্রই কেড়ে নিলো তার প্রাণ। নিছক কাকতালীয় হলেও এই ঘটনায় আজ বাকরুদ্ধ গোটা বিনোদন জগত।
২০০৮ সালে যে সিনেমাটি রাহুলের জীবন বদলে দিয়েছিল, যে গানটি জুবিন গার্গকে দিয়েছিল আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা— সেই গানটিই যেন আজ এক শোকের নামাবলী। নায়ক আর গায়ক— দুজনই ভিন্ন সময়ে কিন্তু ঠিক একইভাবে পানির শীতল স্পর্শে হারিয়ে গেলেন চিরতরে। প্রকৃতির এই খেয়াল নাকি কোনো অমোঘ নিয়তি? তার উত্তর হয়তো কোনোদিন মিলবে না।
রাহুল আর জুবিন হয়তো ওপারে গিয়ে আবারও সেই সুর বাঁধছেন— ‘প্রিয়া রে প্রিয়া রে প্রিয়া রে...’। কিন্তু এপারে রেখে গেলেন এক বিষাদসিন্ধু আর হৃদয়ে বিঁধে থাকা এক ট্র্যাজেডি। ওপারে ভালো থাকবেন আমাদের প্রিয় রাহুল, ভালো থাকবেন সুরের জাদুকর জুবিন গার্গ।