১২০ দিনের মধ্যে সুষ্ঠুভাবে এফবিসিসিআই নির্বাচন আয়োজনই প্রথম অগ্রাধিকার
আগামী ১২০ দিনের মধ্যে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনই আমার প্রথম অগ্রাধিকার। চলতি সপ্তাহের মধ্যে বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা চূড়ান্ত হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন সহজ হবে। বিধিমালা সংশোধনের মাধ্যমে এফবিসিসিআই নির্বাচন-সংক্রান্ত রিটের বিষয়টিরও সমাধান হতে পারে। পাশাপাশি জ্বালানি সংকট, উচ্চ সুদের হার, কর-শুল্কসহ ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সরকারের কাছে তাদের উদ্বেগ ও প্রত্যাশার বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে। জাগো নিউজকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. ফজলুল হক। তিনি বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সাবেক সভাপতি এবং প্লামি ফ্যাশনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সম্প্রতি এফবিসিসিআইর প্রশাসকের দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। তার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জাগো নিউজের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক এমদাদুল হক তুহিন। জাগো নিউজ: ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে একজন ব্যবসায়ী হিসাবে এফবিসিসিআই প্রশাসক হয়েছেন। প্রশাসক হিসেবে আপনার প্রথম অগ্রাধ
আগামী ১২০ দিনের মধ্যে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনই আমার প্রথম অগ্রাধিকার। চলতি সপ্তাহের মধ্যে বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা চূড়ান্ত হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন সহজ হবে। বিধিমালা সংশোধনের মাধ্যমে এফবিসিসিআই নির্বাচন-সংক্রান্ত রিটের বিষয়টিরও সমাধান হতে পারে। পাশাপাশি জ্বালানি সংকট, উচ্চ সুদের হার, কর-শুল্কসহ ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সরকারের কাছে তাদের উদ্বেগ ও প্রত্যাশার বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে।
জাগো নিউজকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. ফজলুল হক। তিনি বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সাবেক সভাপতি এবং প্লামি ফ্যাশনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
সম্প্রতি এফবিসিসিআইর প্রশাসকের দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। তার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জাগো নিউজের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক এমদাদুল হক তুহিন।
জাগো নিউজ: ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে একজন ব্যবসায়ী হিসাবে এফবিসিসিআই প্রশাসক হয়েছেন। প্রশাসক হিসেবে আপনার প্রথম অগ্রাধিকার কি?
মো. ফজলুল হক: আমার অগ্রাধিকার একটিই। মূলত কাজ একটিই, সেটি হলো- ১২০ দিনের ভেতরে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা। এটিই আমার মূল কাজ। আমার অ্যাপয়েন্টমেন্টেও সেটাই লেখা আছে।

এফবিসিসিআইয়ের নতুন প্রশাসক ফজলুল হক
জাগো নিউজ: নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন দিতে কোনো রোডম্যাপ তৈরি করছেন কিনা?
মো. ফজলুল হক: রোডম্যাপ একটি করা হয়েছে। সরকার বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা সংশোধনের কাজ করছে। এটি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন করা যাবে না। কারণ এর সঙ্গে কে ভোটার হবেন, কে ভোটার হতে পারবেন না, কে প্রার্থী হবেন, কে প্রার্থী হতে পারবেন না, কতজন পরিচালক থাকবেন- সেটি নির্দিষ্ট হচ্ছে না।
বিধিমালা চূড়ান্ত হওয়াটাই এই মুহূর্তে বড় চ্যালেঞ্জ। খসড়া বিধিমালার ওপর ব্যবসায়ীরা মতামত দিয়েছেন। এখন এটি চূড়ান্ত করার এখতিয়ার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের। আমরা তাদের সঙ্গে আজকেও কথা বলছি, তারাও এটি দ্রুত শেষ করার জন্য কাজ করছে।
জাগো নিউজ: এফবিসিসিআই নির্বাচনে মনোনীত পরিচালক নিয়ে আপত্তি ছিল
মো. ফজলুল হক: আপত্তিগুলো নিয়ে কী হয়েছে, সেটি আমার জানা নেই। কারণ এটা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। বিধিমালা নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে। প্রশাসক হিসেবে আমি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি নই, আমি এখন নিরপেক্ষ। এখানে আপাতত আমি কোনো ভূমিকা রাখতে চাই না।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিধিমালায় কী কী সংশোধন আসে, সেটি আগে দেখি। বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা যে মতামতই দিন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের। বেশিরভাগ সংগঠন যে প্রস্তাব দিয়েছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হয়তো সেদিকে যেতে পারে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুক্তি অনুযায়ী তারা বিধিমালা সংশোধন করবে।
জাগো নিউজ: এফবিসিসিআই নির্বাচন নিয়ে রিট ছিলো, সেই রিটের কী হতে পারে?
মো. ফজলুল হক: রিটের বিষয়টি নিয়েও আমরা কথা বলেছি। এখন বিধিমালায় কী পরিবর্তন আসে, তার ওপর রিটটিও নির্ভর করছে। বিধিমালা সংশোধনের মধ্যদিয়ে যদি রিটের বিষয়টিও ফয়সালা হয়ে যায়, তখন কিন্তু স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ফয়সালা হয়ে গেল। সেজন্য আমরা বিধিমালাটাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।
কারণ বিধিমালাতেই যদি ওই বিষয়টির ফয়সালা হয়ে যায়, রিটটিও যদি ওই বিষয়েই হয়ে থাকে, তাহলে তো সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই অকার্যকর হয়ে যাবে। যিনি রিট করেছেন, যিনি সংক্ষুব্ধ, তখন আর তিনি সংক্ষুব্ধ থাকবেন না। বিধিমালায় ওই সংশোধনটি হয় কি না, সেটি আগে দেখতে হবে।
জাগো নিউজ: কতদিনের মধ্যে এই বিধিমালা চূড়ান্ত হতে পারে বলে মনে করেন?
মো. ফজলুল হক: এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভালো বলতে পারবে। ১২০ দিনের মধ্যে আমাদের নির্বাচন দিতে হবে। এখন এই সময়ের মধ্য নির্বাচন দিতে হলে, আগামী সপ্তাহের মধ্যে আমরা চাই বিধিমালাটি চূড়ান্ত হোক। এই সময়ের মধ্যে বিধিমালা চূড়ান্ত হলে ১২০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের যে বাধ্যবাধতকতা রয়েছে, তা পরিপালন করা সহজ হবে।
জাগো নিউজ: আগামী সপ্তাহের মধ্যে বিধিমালা চূড়ান্ত হলে ১২০ দিনেই নির্বাচন আয়োজন করতে পারবেন?
মো. ফজলুল হক: চলতি সপ্তাহের মধ্যে বিধিমালা চূড়ান্ত হলে নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচন আয়োজন সহজ হবে। কিন্তু আগামী সপ্তাহে না হলে নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচন করা যাবে না, আমি সেটি বলছি না। এর পরে গেলে ১২০ দিনের হিসাব-নিকাশে একটা গন্ডগোল হয়ে যাবে। কারণ নির্বাচনের জন্য আপনাকে ৯০ দিন সময় দিতে হবে। মানে কিছু অন্য জায়গায় গিয়ে আবার এটা ক্ল্যাশ তৈরি হবে। নির্বাচনের পর আবার দায়িত্ব হস্তান্তরের জন্য দুই-চার দিন সময় লাগবে।
আমরা এখন বিধিমালার দিকেই তাকিয়ে আছি। কারণ ওটা না হলে আসলে আপনি নির্বাচন দেবেন কীসের ভিত্তিতে? মানে কে নির্বাচন করবে, কতজন মনোনীত থাকবে, কতজন থাকবে না- সবকিছুই কিন্তু এই বিধিমালাতেই আছে। আবার পরপর যারা দুইবার নির্বাচিত হয়েছে, তারা নির্বাচন করতে পারবে কি না, চাঁদা কত হবে, মানে ভোটারদের চাঁদা কত হবে, অনেকগুলো বিষয় বিধিমালাতেই উল্লেখ থাকবে।
জাগো নিউজ: ব্যবসায়ীরা বর্তমানে উচ্চ সুদের হার, জ্বালানি সংকট, কর-শুল্ক, ডলার ও বিনিয়োগসহ নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছেন। সরকারের কাছে এফবিসিসিআইর পক্ষ থেকে স্বল্পমেয়াদি কোনো প্রস্তাব তুলে ধরা হবে কী?
মো. ফজলুল হক: যদিও আমার প্রধান লক্ষ্য নির্বাচন আয়োজন করা, তারপরও বর্তমানের এসব চ্যালেঞ্জ নিয়ে এফবিসিসিআই তো এখানে চুপ থাকতে পারে না। বিশেষ করে যখন একজন ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এখানে আছেন, মানে ব্যবসায়ীরা এটা প্রত্যাশা করতেই পারেন, করাটাই খুব স্বাভাবিক।
সুদের হার কমানো, জ্বালানি সরবরাহ ও অন্যান্য যেসব সমস্যা আছে, সেগুলো নিয়ে আমরা সহায়ক কমিটির সঙ্গে বসব। সেই কমিটির সঙ্গে বসে আমরা একটি দিকনির্দেশনা হয়তো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা করে ব্যবসায়ী সমাজের যে উদ্বেগ, আমাদের প্রত্যাশা, সেগুলো তুলে ধরতে পারি।
জাগো নিউজ: সহায়ক কমিটিতে বড় চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিরাই সদস্য হয়েছেন, কমিটির আকার বাড়বে কী না?
মো. ফজলুল হক: এখানে ব্যক্তিগত পছন্দে কাউকে সদস্য করা হয়নি। সবাই চেম্বার বডি ও অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বড় নয়টি চেম্বার, সাতটা বিভাগীয় চেম্বার ও ঢাকা মেট্রোপলিটন চেম্বারের সভাপতি, কারণ বড় বড় ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব করেন। সহায়ক কমিটিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি সংগঠনের প্রতিনিধি কীভাবে রাখা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে।
জাগো নিউজ: আপনি দীর্ঘদিন পোশাক খাতের নেতৃত্বে ছিলেন, এফবিসিসিআই পরিচালনায় সেই অভিজ্ঞতাটা কীভাবে কাজে লাগাতে চান?
মো. ফজলুল হক: বিকেএমইএর সভাপতি থাকাকালে দেশ ও বিদেশের অনেক সমস্যাই আমাকে দেখতে হয়েছে, তা মোকাবিলা করতে হয়েছে। তবে এফবিসিসিআইর প্রশাসক হিসেবে আমার দায়িত্ব স্বল্পকালীন। অনেকটা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো। আমার মূল কাজ নির্বাচন আয়োজন করা ও রুটিন দায়িত্ব পালন করা।
তবে হ্যাঁ, রুটিন দায়িত্ব পালন করতে আমার অতীতের অভিজ্ঞতা খুব কাজে দেবে। কারণ ব্যবসায়ীদের সবাইকে আমরা পুরোপুরি চিনি, তাদের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে, গুড আন্ডারস্ট্যান্ডিং আছে। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে।
জাগো নিউজ: এফবিসিসিআই অনেক সময় সদস্যদের প্রত্যাশা অনুযায়ী কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে না। সংগঠনটিকে আরও শক্তিশালী ও জবাবদিহি করতে কোনো পদক্ষেপ নেবেন? যদিও বিষয়টি সরাসরি আপনার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না।
মো. ফজলুল হক: বিষয়টি পুরোপুরি আমার দায়িত্বের আওতায় নয় এবং এ বিষয়ে আমার ক্ষমতাও সীমিত। আমি গত দুই দিন ধরে বারবার বলছি, আমার প্রধান দায়িত্ব হলো একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা। আমরা এমন একটি নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই, যেখানে অর্থের প্রভাব বা অন্যান্য কারণে যোগ্য মানুষ নির্বাচনে আসতে নিরুৎসাহিত না হন।
এটা শুধু এফবিসিসিআইর নির্বাচন নয়, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত প্রায় সব ক্ষেত্রেই কমবেশি এমন বাস্তবতা দেখা যায়। আমাদের চেষ্টা থাকবে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে যাঁদের নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা ও আগ্রহ আছে, কিন্তু অর্থের জোর কম, তাঁরাও যেন নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।
কে নির্বাচিত হবেন, সেটা আমি, আমার কমিটি বা এফবিসিসিআইর প্রশাসন নির্ধারণ করবে না। তবে আমরা আশা করি, দীর্ঘদিন পর যে নেতৃত্ব নির্বাচিত হয়ে আসবে, তাঁরা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে এফবিসিসিআইকে আরও গতিশীল ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করবেন। এটা একজন ব্যবসায়ী হিসেবেও আমার প্রত্যাশা। কারণ নির্বাচন শেষে যিনি সভাপতি হবেন, তিনিও তো আমারই সভাপতি হবেন।
জাগো নিউজ: চার মাস পর নির্বাচন হবে। প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব শেষে এফবিসিসিআইকে কোন অবস্থানে রেখে যেতে চান? আপনার সাফল্যের মানদণ্ড কী হবে?
মো. ফজলুল হক: আমি চাই, নির্বাচিত নেতৃত্ব এমন একটি এফবিসিসিআই পরিচালনা করুক, যা ব্যবসায়ী সমাজের জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখবে। আমার প্রত্যাশা, এফবিসিসিআই একটি গবেষণাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠবে, যেখানে দেশের অর্থনীতির বিভিন্ন খাত নিয়ে গবেষণা হবে, অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হবে এবং সেসব গবেষণার ভিত্তিতে সরকারকে কার্যকর নীতিগত পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।
আমি নিজে সেই অবস্থায় এফবিসিসিআইকে পৌঁছে দিয়ে যেতে পারবো কি না, তা এখনই বলা কঠিন। কারণ আমার দায়িত্বের মেয়াদ খুবই স্বল্প। আজ হিসাব করলে চার মাসের মেয়াদের পাঁচ-সাত দিন এরই মধ্যে পেরিয়ে গেছে। তাই এ স্বল্পসময়ের মধ্যে আমার মূল লক্ষ্য একটি গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করা, যাতে একটি শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব এফবিসিসিআইর দায়িত্ব নিতে পারে।
ইএইচটি/এমএএইচ/
What's Your Reaction?





