১২ ঘণ্টা পর শাবিপ্রবি উপাচার্য মুক্ত
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, উপ-উপাচার্য মো. সাজেদুল করিমসহ অবরুদ্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১২ ঘণ্টা পর মুক্ত হয়েছেন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টায় শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের তালা খুলে তাদের অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করেন। এর আগে, একইদিন দুপুরে শাবিপ্রবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। প্রতিবাদে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন বিক্ষোভকারীরা। তালা ঝুলানোর পর ১২ ঘণ্টা অবরুদ্ধ ধরে অবরুদ্ধ ছিলেন উপাচার্যসহ প্রশাসিন কর্মকর্তারা। এদিকে অবরুদ্ধ থাকাকালীন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কয়েকবার বৈঠক করেন উপাচার্য। এ সময় সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘তিন জন শিক্ষার্থী হাইকোর্টে রিট করে। হাইকোর্ট রিট আমলে নিয়ে শাকসু নির্বাচন আয়োজনে স্থগিতাদেশ প্রদান করে। উক্ত রিটের স্থগিতাদেশ চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চেম্বার আদালতে আপিল করে। চেম্বার জজ আদালত আপিল গ্রহণ করলেও কোনো শুনানির তারিখ ও সময় নির্ধারণ করেনি বিধায় হাইকোর্ট এর নির্দেশনা মোতাবেক স্থগিতাদেশ বহাল
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, উপ-উপাচার্য মো. সাজেদুল করিমসহ অবরুদ্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১২ ঘণ্টা পর মুক্ত হয়েছেন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টায় শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের তালা খুলে তাদের অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করেন।
এর আগে, একইদিন দুপুরে শাবিপ্রবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। প্রতিবাদে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন বিক্ষোভকারীরা। তালা ঝুলানোর পর ১২ ঘণ্টা অবরুদ্ধ ধরে অবরুদ্ধ ছিলেন উপাচার্যসহ প্রশাসিন কর্মকর্তারা।
এদিকে অবরুদ্ধ থাকাকালীন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কয়েকবার বৈঠক করেন উপাচার্য। এ সময় সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘তিন জন শিক্ষার্থী হাইকোর্টে রিট করে। হাইকোর্ট রিট আমলে নিয়ে শাকসু নির্বাচন আয়োজনে স্থগিতাদেশ প্রদান করে। উক্ত রিটের স্থগিতাদেশ চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চেম্বার আদালতে আপিল করে। চেম্বার জজ আদালত আপিল গ্রহণ করলেও কোনো শুনানির তারিখ ও সময় নির্ধারণ করেনি বিধায় হাইকোর্ট এর নির্দেশনা মোতাবেক স্থগিতাদেশ বহাল রয়েছে। সে প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চেম্বার আদালতের শুনানি অতিদ্রুত সম্পন্নের জন্য সরকারের সঙ্গেও যোগাযোগ করছি। কোর্টের নির্দেশনা পেলে আমরা সে মোতাবেক শাকসু আয়োজনের তড়িত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’
পরে প্রশাসনিক ভবনের তালা খুলে অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় স্বতন্ত্র জিএস প্রার্থী পলাশ বখতিয়ার বলেন, ‘প্রশাসনের পক্ষ থেকে যেন সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয় তাই আমরা তাদের অবরুদ্ধ করেছিলাম। আমাদের প্রশাসনের হাতে পুরোটা নেই, এটি হাইকোর্টের কাছে চলে গেছে। আমরা প্রশাসনের কাছ থেকে আশ্বাস পেয়েছি, তাদের পক্ষ যতকিছু করা সম্ভব তারা করবেন, যাতে এই রিটটি খারিজ করা যায়। আগামীকাল সকাল ১০টা থেকে আমাদের কর্মসূচি আবার শুরু হবে।’
এর আগে, হাইকোর্ট নির্বাচন স্থগিতের নির্দেশ দেওয়ার প্রতিবাদে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক প্রায় ৩ ঘণ্টা অবরোধ করেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
দীর্ঘ ২৮ বছর পর শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন স্থগিতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সিলেট জেলা ও মহানগর জামায়াত নেতারা। এদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিতের জন্য হাইকোর্টে রিট করা শিক্ষার্থী ভিপি প্রার্থী মমিনুর রশিদ শুভকে বিশ্ববিদ্যালয়ে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বিক্ষোভে ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য প্যানেল’, ছাত্রদল সমর্থিত ‘সম্মিলিত সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের একাংশ, ‘সাধারণের ঐক্যস্বর’ প্যানেল, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
এদিকে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সোমবার বিকেলে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে এ আবেদন করা হয়। আবেদনে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চাওয়া হয়েছে।
What's Your Reaction?