১২ তারিখের নির্বাচন ফ্যাসিবাদকে কবরস্থ করার নির্বাচন : হাসনাত আব্দুল্লাহ
এই নির্বাচন আধিপত্যবাদ থেকে মুক্তির নির্বাচন, রাষ্ট্রগঠনের নির্বাচন এবং ফ্যাসিবাদকে কবরস্থ করার নির্বাচন। আগামী ১২ তারিখ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে হবে এবং ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত পাহারা দিতে হবে। সেদিনই যশোরবাসী নিজেদের বিজয় নিশ্চিত করবে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) যশোর শহরের প্রাণকেন্দ্র ভৈরব চত্বরে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় ঐক্যজোটের নির্বাচনী পথসভায় এসব কথা বলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ আসনে প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ। হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, একটি পক্ষ মা-বোনদের হিজাব খুলে লাঞ্ছিত করছে, ভারতের দালালি করার চেষ্টা করছে। সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজিতে লিপ্ত। তারা বাংলাদেশের মানুষের প্রয়োজন, চাহিদা ও আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে না। তাদের নেতারা একদিকে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে কথা বলছেন অন্যদিন তাদের কর্মীরা ‘না’ এর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন এটাই তাদের দ্বিমুখী রাজনীতি। তিনি আরও বলেন, গতকাল প্রশাসনের আচরণ সবাই দেখেছেন, যা ছিল এক ধরনের টেস্ট ম্যাচ। আবারও পুরোনো আওয়ামী কায়দায় পুলিশকে ব্যবহার করার চেষ্টা হচ্ছে। আপনাদের মনে রাখতে হবে,
এই নির্বাচন আধিপত্যবাদ থেকে মুক্তির নির্বাচন, রাষ্ট্রগঠনের নির্বাচন এবং ফ্যাসিবাদকে কবরস্থ করার নির্বাচন। আগামী ১২ তারিখ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে হবে এবং ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত পাহারা দিতে হবে। সেদিনই যশোরবাসী নিজেদের বিজয় নিশ্চিত করবে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) যশোর শহরের প্রাণকেন্দ্র ভৈরব চত্বরে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় ঐক্যজোটের নির্বাচনী পথসভায় এসব কথা বলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ আসনে প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, একটি পক্ষ মা-বোনদের হিজাব খুলে লাঞ্ছিত করছে, ভারতের দালালি করার চেষ্টা করছে। সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজিতে লিপ্ত। তারা বাংলাদেশের মানুষের প্রয়োজন, চাহিদা ও আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে না। তাদের নেতারা একদিকে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে কথা বলছেন অন্যদিন তাদের কর্মীরা ‘না’ এর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন এটাই তাদের দ্বিমুখী রাজনীতি।
তিনি আরও বলেন, গতকাল প্রশাসনের আচরণ সবাই দেখেছেন, যা ছিল এক ধরনের টেস্ট ম্যাচ। আবারও পুরোনো আওয়ামী কায়দায় পুলিশকে ব্যবহার করার চেষ্টা হচ্ছে। আপনাদের মনে রাখতে হবে, আপনারা যে পোশাক পরেন তা জনগণের আস্থার প্রতীক। আপনারা বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ থাকুন, কোনো রাজনৈতিক দলের কাছে নয়। আপনারা জনগণের জন্য কাজ করেন এবং জনগণের টাকায় বেতন পান।
হাসনাত বলেন, একসময় ডিবি হারুন, বেনজীর আহমেদের মতো লোকেরাও চাপ প্রয়োগ করেছিল, কিন্তু আজ তারা কোথাও নেই। আপনারা জুলাইয়ের আন্দোলনের কথা ভুলে যাবেন না। গুলি-গোলাবারুদ দিয়েও জনগণকে থামানো যায়নি। তাই গোলামি মানসিকতা পরিত্যাগ করুন। আগের তিনটি নির্বাচনের মতো আর কোনো প্রহসনের নির্বাচন আমরা চাই না।
তিনি আরও বলেন, আপনারা অবৈধ টাকার স্পর্শ থেকে দূরে থাকুন। আজ গোলামি করলে আগামী পাঁচ বছর রাজনৈতিক নেতাদের কাছে পোস্টিং ও বদলির জন্য দাসত্ব করতে হবে। আপনাদের বিএনপির পুলিশ, জামায়াতের পুলিশ অথবা এনসিপির পুলিশ হওয়ার দরকার নেই, আপনারা বাংলাদেশের পুলিশ হন। আমরা আপনাদের পাশে থাকব, পাহারা দেব। পুরো বাংলাদেশ আপনাদের সহযোগিতা করবে। আপনারা কলঙ্কমুক্ত হয়ে দায়িত্ব পালন করুন। আগামী ১২ তারিখের পর দেশ কেমন হবে তা আপনাদের ভূমিকার ওপরই নির্ধারিত হবে।
স্থানীয় জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন, যারা জমি দখল করে, টেন্ডারবাজি করে তারাই আজ আমাদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এতে স্পষ্ট বোঝা যায়, তারা ক্ষমতায় গেলে কী করবে। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে। দাড়িপাল্লা ও শাপলা কলির বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। আমরা সবাইকে নিয়ে একটি সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলব।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ১১ দলীয় ঐক্যজোটের জামায়াতে ইসলামীর যশোর-৩ মনোনীত প্রার্থী ভিপি আব্দুল কাদের, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা সাকিব শাহরিয়ারসহ অনেকে।
What's Your Reaction?