১২ দিন ধরে পাম্পে পড়ে আছে মোটরসাইকেল, খোঁজ নেই চালকের

রংপুরে পেট্রোল পাম্পে ১২ দিন ধরে পড়ে আছে একটি মোটরসাইকেল। তেল নিতে গিয়ে মোটরসাইকেল রেখে উধাও চালক। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও চালকের সন্ধান না পেয়ে বিপাকে পড়েছে মহানগরীর শাপলা চত্বর এলাকার মেসার্স ইউনিক ফিলিং স্টেশনে কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে ফিলিং স্টেশনটিতে গিয়ে চোখে পড়ে চালকবিহীন বেওয়ারিশ মোটরসাইকেলটির। সরেজমিনে দেখা যায়, মোটরসাইকেলটি টিভিএস কোম্পানির মেট্রো প্লাস মডেলের। এতে থাকা নম্বর প্লেটে লেখা রয়েছে রংপুর মেট্রো-হ ১১-০৫৭২। জানা গেছে, মোটরসাইকেলটি গত ৫ এপ্রিল তেল নিতে এসে রেখে গেছেন এক চালক। এরপর ১২ দিন অতিবাহিত হলেও দেখা মেলেনি মোটরসাইকেল মালিকের। এখন সঠিক মালিকের হাতে মোটরসাইকেলটি তুলে দিতে চেষ্টা করছেন ফিলিং স্টেশনের বিক্রয় কর্মীরা। ইউনিক ট্রেডার্স ফিলিং স্টেশনের বিক্রয় কর্মী আলমগীর ইসলাম বলেন, গত ৫ এপ্রিল তেল বিক্রি শুরু হলে দেখি লাইনে একটি মোটরসাইকেল রাখা কিন্তু চালক নেই। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও গাড়িটির মালিক না আসায় লাইনে সমস্যা তৈরি হয়। অন্য চালকদের অসুবিধা হওয়ায় আমরা সবাই মিলে সেটিকে সরিয়ে রাখি। গভীর রাতে পাম্প বন্ধ করে বাড়ি ফেরার সময়ও দেখি মোটরসাইকেলটি সেখানেই

১২ দিন ধরে পাম্পে পড়ে আছে মোটরসাইকেল, খোঁজ নেই চালকের

রংপুরে পেট্রোল পাম্পে ১২ দিন ধরে পড়ে আছে একটি মোটরসাইকেল। তেল নিতে গিয়ে মোটরসাইকেল রেখে উধাও চালক। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও চালকের সন্ধান না পেয়ে বিপাকে পড়েছে মহানগরীর শাপলা চত্বর এলাকার মেসার্স ইউনিক ফিলিং স্টেশনে কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে ফিলিং স্টেশনটিতে গিয়ে চোখে পড়ে চালকবিহীন বেওয়ারিশ মোটরসাইকেলটির।

সরেজমিনে দেখা যায়, মোটরসাইকেলটি টিভিএস কোম্পানির মেট্রো প্লাস মডেলের। এতে থাকা নম্বর প্লেটে লেখা রয়েছে রংপুর মেট্রো-হ ১১-০৫৭২।

জানা গেছে, মোটরসাইকেলটি গত ৫ এপ্রিল তেল নিতে এসে রেখে গেছেন এক চালক। এরপর ১২ দিন অতিবাহিত হলেও দেখা মেলেনি মোটরসাইকেল মালিকের। এখন সঠিক মালিকের হাতে মোটরসাইকেলটি তুলে দিতে চেষ্টা করছেন ফিলিং স্টেশনের বিক্রয় কর্মীরা।

১২ দিন ধরে পাম্পে পড়ে আছে মোটরসাইকেল, খোঁজ নেই চালকের

ইউনিক ট্রেডার্স ফিলিং স্টেশনের বিক্রয় কর্মী আলমগীর ইসলাম বলেন, গত ৫ এপ্রিল তেল বিক্রি শুরু হলে দেখি লাইনে একটি মোটরসাইকেল রাখা কিন্তু চালক নেই। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও গাড়িটির মালিক না আসায় লাইনে সমস্যা তৈরি হয়। অন্য চালকদের অসুবিধা হওয়ায় আমরা সবাই মিলে সেটিকে সরিয়ে রাখি। গভীর রাতে পাম্প বন্ধ করে বাড়ি ফেরার সময়ও দেখি মোটরসাইকেলটি সেখানেই আছে। এমনকি পরদিন সকালেও সেখানেই ছিল মোটরসাইকেলটি। পরে আমরা পাহারাদারদের জিম্মায় রাখি গাড়িটিকে। তবে ১২ দিন পেরিয়ে গেলও কোনো মালিককে পাওয়া যাচ্ছে না।

ফিলিং স্টেশনটির আরেক কর্মচারী বিপ্লব ইসলাম বলেন, আমরা সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে চালককে শনাক্ত করার চেষ্টা করেছি। তবে সমস্যাটি হলো, চালক গাড়িটি এমন একটি স্থানে রেখেছিলেন, যা আমাদের সিসিটিভি ক্যামেরার আওতার বাইরে ছিল। ফলে তার কোনো ভিডিও ফুটেজ পাওয়া যায়নি।

ইউনিক ট্রেডার্স ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মিজানুর রহমান জানান, মোটরসাইকেলটি নিয়ে অসুবিধার মধ্যে আছেন তারা। সঠিক মালিক শনাক্তে গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারও চালানো হচ্ছে।

জিতু কবীর/এনএইচআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow