১২ ফেব্রুয়ারির পর চাঁদাবাজি চলতে দেওয়া হবে না: নুরুল ইসলাম বুলবুল
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, চাঁদাবাজদের শেষ সময় এসে গেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির পর দেশে আর কোনো চাঁদাবাজি চলতে দেওয়া হবে না। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার ভবনের হলরুমে ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস্ অ্যান্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের জেলা শাখার উদ্যোগে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রের সমস্যা চিহ্নিতকরণে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন তিনি। নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, বর্তমানে দেশের সর্বত্র চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য চলছে। চাঁদাবাজি এখন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা পর্যন্ত এই চাঁদাবাজির কারণে বিপর্যস্ত। এ অবস্থার পরিবর্তন জরুরি। তিনি বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে অবিলম্বে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হলেও দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে প্রকৃত দেশপ্রেমের ঘাটতি রয়েছে। দেশের উন্নয়নের চেয়ে ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থকেই বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। রা
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, চাঁদাবাজদের শেষ সময় এসে গেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির পর দেশে আর কোনো চাঁদাবাজি চলতে দেওয়া হবে না।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার ভবনের হলরুমে ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস্ অ্যান্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের জেলা শাখার উদ্যোগে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রের সমস্যা চিহ্নিতকরণে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন তিনি।
নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, বর্তমানে দেশের সর্বত্র চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য চলছে। চাঁদাবাজি এখন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা পর্যন্ত এই চাঁদাবাজির কারণে বিপর্যস্ত। এ অবস্থার পরিবর্তন জরুরি।
তিনি বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে অবিলম্বে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির রাজনীতি বন্ধ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হলেও দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে প্রকৃত দেশপ্রেমের ঘাটতি রয়েছে। দেশের উন্নয়নের চেয়ে ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থকেই বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট করে নিজেদের পকেট ভারি করাই যেন রাজনীতির মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের বাজেট বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার কাছ থেকে ধারাবাহিকভাবে ঋণ নিতে হচ্ছে। এর ফলে দেশের প্রতিটি শিশু জন্মের পর থেকেই ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে বড় হচ্ছে।
মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ীরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এসময় তারা কর কাঠামোর জটিলতা, নিরাপত্তাহীনতা, চাঁদাবাজি ও প্রশাসনিক হয়রানির বিষয়ে অভিযোগ করেন। সভায় বক্তারা ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
সভায় ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস্ অ্যান্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের জেলা শাখার নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার ব্যবসায়ী ও অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
সোহান মাহমুদ/এমএন/জেআইএম
What's Your Reaction?