১৬ দিনে ৪৮ জেলা সফর করেছেন জামায়াত আমির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে প্রচার-প্রচারণার অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান গত ২৩ জানুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৬ দিনে দেশের ৪৮টি জেলায় নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেন। এসব সমাবেশ ১১ দলীয় জোটের ব্যানারে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি সমাবেশেই তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। এছাড়া নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে কিছু জেলায় বড় জমায়েতের পরিবর্তে তিনি পথসভাও করেন। গত ২৩ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গ থেকে সফর শুরু করেন জামায়াত আমির। সেদিন পঞ্চগড়-১ আসনের চিনিকল মাঠে প্রথম সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সর্বশেষ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সিলেট নগরীর সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে সমাবেশ করে তিনি ঢাকা ফেরত আসেন। আজ ৮ ও আগামীকাল ৯ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকায় নিজ আসনে প্রচারণা করবেন। গত ২৮ জানুয়ারি মঙ্গলবার রাতে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর বাসস্ট্যান্ডে নির্বাচনি পথসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘ধোঁকাবাজি, ব্যাংক ডাকাতি কিংবা শেয়ারবাজার লুটপাটের রাজনীতি আমরা করতে চাই না। আমাদের রাজনীতি দেশের মালিক হওয়ার জন্য নয়, দেশের সেবক হওয়ার জন্য। ৪ ফেব্রুয়ারি লালমনিরহাটে তিস্তা ব্যারাজ এলাকার হেলিপ্যাড মাঠে জা

১৬ দিনে ৪৮ জেলা সফর করেছেন জামায়াত আমির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে প্রচার-প্রচারণার অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান গত ২৩ জানুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৬ দিনে দেশের ৪৮টি জেলায় নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেন। এসব সমাবেশ ১১ দলীয় জোটের ব্যানারে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি সমাবেশেই তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। এছাড়া নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে কিছু জেলায় বড় জমায়েতের পরিবর্তে তিনি পথসভাও করেন।

গত ২৩ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গ থেকে সফর শুরু করেন জামায়াত আমির। সেদিন পঞ্চগড়-১ আসনের চিনিকল মাঠে প্রথম সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সর্বশেষ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সিলেট নগরীর সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে সমাবেশ করে তিনি ঢাকা ফেরত আসেন। আজ ৮ ও আগামীকাল ৯ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকায় নিজ আসনে প্রচারণা করবেন।

গত ২৮ জানুয়ারি মঙ্গলবার রাতে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর বাসস্ট্যান্ডে নির্বাচনি পথসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘ধোঁকাবাজি, ব্যাংক ডাকাতি কিংবা শেয়ারবাজার লুটপাটের রাজনীতি আমরা করতে চাই না। আমাদের রাজনীতি দেশের মালিক হওয়ার জন্য নয়, দেশের সেবক হওয়ার জন্য।

৪ ফেব্রুয়ারি লালমনিরহাটে তিস্তা ব্যারাজ এলাকার হেলিপ্যাড মাঠে জামায়াত আমির বলেন, জামায়াত সরকার গঠন করলে সব ধরনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। একই সঙ্গে তিস্তাকে জীবন্ত নদীতে রূপ দিয়ে উত্তরবঙ্গকে কৃষি ও শিল্পের রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন জামায়াত আমির। তিস্তা উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য আশীর্বাদ হওয়ার কথা থাকলেও ভুল পরিকল্পনা ও অবহেলার কারণে আজ তা এই অঞ্চলের মানুষের জন্য অভিশাপে পরিণত হয়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। 

৫ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘যাদের অতীতেও খাসলত খারাপ ছিল, এখনো যারা লোভ সামলাতে পারেনি, সেই বিড়ালের হাতে গোশত পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব দেবেন? এরা রাষ্ট্রের জনগণের জান, মাল এবং ইজ্জতের নিরাপত্তা দেবে? এখনই দিচ্ছে না, তখন দেবে? আফসোস, তারাও মজলুম ছিলেন। কেন যে এখন বদলে গেলেন, বুঝতে পারলাম না। বিভিন্ন জায়গায় দখলদারি নিতে গিয়ে নিজেদেরই ২৩৪ জন শেষ, তারপর এখন আমাদের খুন করা শুরু হয়েছে, গালি দেওয়া শুরু হয়েছে।’ 

জানা গেছে, ডা. শফিকুর রহমান ভোলা, বরগুনা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, নেত্রকোণা, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ জেলায় আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে তিনি উপস্থিত হননি। এছাড়া বাকী ৪৮ টি জেলায় তিনি সফর করেছেন। নির্বাচনি এই সমাবেশগুলোতে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে জোটের প্রার্থীদের কাছে তিনি প্রতীক তুলে দেন।

আরএএস/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow