১৬ বছর ধরে পলাতক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের চাঞ্চল্যকর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১৬ বছর ধরে পলাতক থাকা আসামি মো. সাইফুল ইসলামকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৩)। সোমবার (১১ মে) র‍্যাব-৩ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া কর্মকর্তা মো. মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানান, গতকাল রোববার রাজধানীর গুলশান-১ এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি জানান, গ্রেফতার সাইফুল শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার লং শিবার দিঘির পাড় এলাকার বাসিন্দা। তিনি কামরাঙ্গীরচর থানার নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী তার বান্ধবীর সঙ্গে কামরাঙ্গীরচরের আশ্রাফাবাদ নৌঘাট এলাকায় ঘুরতে যায়। সন্ধ্যার দিকে সাইফুল ও তার সহযোগীরা কিশোরীকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক একটি নৌকায় তুলে নেয়। পরে বুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে নিয়ে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা। ঘটনার পর ভুক্তভোগীকে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে কামরাঙ্গীরচর থানায় না

১৬ বছর ধরে পলাতক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের চাঞ্চল্যকর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১৬ বছর ধরে পলাতক থাকা আসামি মো. সাইফুল ইসলামকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৩)।

সোমবার (১১ মে) র‍্যাব-৩ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া কর্মকর্তা মো. মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানান, গতকাল রোববার রাজধানীর গুলশান-১ এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি জানান, গ্রেফতার সাইফুল শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার লং শিবার দিঘির পাড় এলাকার বাসিন্দা। তিনি কামরাঙ্গীরচর থানার নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী তার বান্ধবীর সঙ্গে কামরাঙ্গীরচরের আশ্রাফাবাদ নৌঘাট এলাকায় ঘুরতে যায়। সন্ধ্যার দিকে সাইফুল ও তার সহযোগীরা কিশোরীকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক একটি নৌকায় তুলে নেয়। পরে বুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে নিয়ে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা।

ঘটনার পর ভুক্তভোগীকে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে কামরাঙ্গীরচর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিউর রহমান চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

র‍্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

টিটি/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow