১৬ মাদক কারবারির আত্মসমর্পণ, ফুল দিয়ে বরণ করলেন পুলিশ 

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে মাদকবিরোধী সমাবেশে ১৬ জন মাদক কারবারি স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন। এ সময় স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার অঙ্গীকার করায় তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার রুহুল কবীর খান। শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে জীবননগর উপজেলার ধোপাখালী হাইস্কুল মাঠে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার রুহুল কবীর খান বলেন, ‘মাদক সমাজ, পরিবার ও রাষ্ট্রের জন্য এক ভয়াবহ অভিশাপ। মাদক নির্মূলে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা এবং সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ অপরিহার্য। যারা অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে আন্তরিক, জেলা পুলিশ তাদের পুনর্বাসন ও সমাজে পুনঃএকীভূত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে। তবে মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’ সমাবেশে ১৬ জন মাদক কারবারি স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন। তারা মাদক ব্যবসা পরিহার করে সৎ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। পরে আত্মসমর্পণকারীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয় এবং ভবিষ্যতে মাদকমুক্ত জীবনযাপন ও সমা

১৬ মাদক কারবারির আত্মসমর্পণ, ফুল দিয়ে বরণ করলেন পুলিশ 

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে মাদকবিরোধী সমাবেশে ১৬ জন মাদক কারবারি স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন। এ সময় স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার অঙ্গীকার করায় তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার রুহুল কবীর খান।

শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে জীবননগর উপজেলার ধোপাখালী হাইস্কুল মাঠে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার রুহুল কবীর খান বলেন, ‘মাদক সমাজ, পরিবার ও রাষ্ট্রের জন্য এক ভয়াবহ অভিশাপ। মাদক নির্মূলে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা এবং সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ অপরিহার্য। যারা অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে আন্তরিক, জেলা পুলিশ তাদের পুনর্বাসন ও সমাজে পুনঃএকীভূত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে। তবে মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’

সমাবেশে ১৬ জন মাদক কারবারি স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন। তারা মাদক ব্যবসা পরিহার করে সৎ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। পরে আত্মসমর্পণকারীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয় এবং ভবিষ্যতে মাদকমুক্ত জীবনযাপন ও সমাজের কল্যাণে কাজ করার শপথ গ্রহণ করানো হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মোহাম্মদ নূরুল্লাহ্, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান খোকন, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সাজেদুর রহমানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।


 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow