১৮ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

জুলাই চার্টার বাস্তবায়ন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং বিচারক নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের অবস্থানের সঙ্গে মতপার্থক্যের কথা উল্লেখ করে পদত্যাগ করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ১৮ জন আইন কর্মকর্তা। এদের মধ্যে ১০ জন ডেপুটি ও ৮ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো পৃথক পদত্যাগপত্রে তারা দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। তারা সবাই জামায়াতপন্থি হিসেবে পরিচিত। পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলরা হলেন- অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী, শফিকুর রহমান, আবদুল করিম, ফরিদ উদ্দিন খান, গোলাম রহমান ভূঁইয়া, আসাদ উদ্দিন এবং মুহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। এ ছাড়া পদত্যাগকারী সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা হলেন- ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আবদুল কাইয়ুম ভূঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারুফ ফাহিম, জোয়াদুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির, রেজাউল ইসলাম ও জাকির হোসেন। পদত্যাগপত্রে তারা বলেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী জুলাই চার্টার বাস্তবায়ন না হওয়া, বিচার বিভাগের জন্য স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা এবং সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিলের

১৮ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ
জুলাই চার্টার বাস্তবায়ন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং বিচারক নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের অবস্থানের সঙ্গে মতপার্থক্যের কথা উল্লেখ করে পদত্যাগ করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ১৮ জন আইন কর্মকর্তা। এদের মধ্যে ১০ জন ডেপুটি ও ৮ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো পৃথক পদত্যাগপত্রে তারা দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। তারা সবাই জামায়াতপন্থি হিসেবে পরিচিত। পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলরা হলেন- অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী, শফিকুর রহমান, আবদুল করিম, ফরিদ উদ্দিন খান, গোলাম রহমান ভূঁইয়া, আসাদ উদ্দিন এবং মুহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। এ ছাড়া পদত্যাগকারী সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা হলেন- ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আবদুল কাইয়ুম ভূঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারুফ ফাহিম, জোয়াদুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির, রেজাউল ইসলাম ও জাকির হোসেন। পদত্যাগপত্রে তারা বলেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী জুলাই চার্টার বাস্তবায়ন না হওয়া, বিচার বিভাগের জন্য স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা এবং সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিলের মতো বিষয়গুলো নিয়ে তাদের গভীর উদ্বেগ রয়েছে। এসব কারণে সাংবিধানিক শাসন, আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে তারা মনে করেন। তারা আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজেদের বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ থেকে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই তারা অবিলম্বে কার্যকর হওয়ার শর্তে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow