২০টিরও বেশি চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন জিনপিং-পুতিন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফর শেষ হতে না হতেই বেইজিংয়ে গেলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মঙ্গলবার গভীর রাতে তাকে বহরকারী বিমানটি বেইজিংয়ে অবতরণ করে। এসময় পুতিনকে স্বাগত জানান চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। চলতি বছর এটাই রুশ প্রেসিডেন্টের প্রথম বিদেশ সফর। বুধবার সকালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন তিনি। চীন এবং রাশিয়ার মধ্যে কৌশলগত সমন্বয় আরও জোরদার করা এবং ‌‘প্রতিবেশীসুলভ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা গভীরতর করার’ বিষয়ে একটি যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন তারা। আশা করা হচ্ছে, তারা বাণিজ্য ও প্রযুক্তি সহযোগিতা চুক্তিসহ আরও বিভিন্ন বিষয়ে ২০টি নথিতে স্বাক্ষর করবেন। বুধবার সকালে শি জিনপিং এবং পুতিনের মধ্যকার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে দুই নেতা একসঙ্গে হেঁটে প্রবেশ করেন। বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন অতীতের মতোই চীনা প্রেসিডেন্টকে ‘প্রিয় বন্ধু’ বলে অভিহিত করেছেন বলে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। মস্কো এবং বেইজিংয়ের মধ্যকার সম্পর্ক এখন এক ‘অভূতপূর্ব উচ্চতায়’ পৌঁছেছে বলেও মন্তব্য করেন পু

২০টিরও বেশি চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন জিনপিং-পুতিন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফর শেষ হতে না হতেই বেইজিংয়ে গেলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মঙ্গলবার গভীর রাতে তাকে বহরকারী বিমানটি বেইজিংয়ে অবতরণ করে। এসময় পুতিনকে স্বাগত জানান চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।

চলতি বছর এটাই রুশ প্রেসিডেন্টের প্রথম বিদেশ সফর। বুধবার সকালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন তিনি।

চীন এবং রাশিয়ার মধ্যে কৌশলগত সমন্বয় আরও জোরদার করা এবং ‌‘প্রতিবেশীসুলভ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা গভীরতর করার’ বিষয়ে একটি যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন তারা। আশা করা হচ্ছে, তারা বাণিজ্য ও প্রযুক্তি সহযোগিতা চুক্তিসহ আরও বিভিন্ন বিষয়ে ২০টি নথিতে স্বাক্ষর করবেন।

বুধবার সকালে শি জিনপিং এবং পুতিনের মধ্যকার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে দুই নেতা একসঙ্গে হেঁটে প্রবেশ করেন। বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন অতীতের মতোই চীনা প্রেসিডেন্টকে ‘প্রিয় বন্ধু’ বলে অভিহিত করেছেন বলে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।

মস্কো এবং বেইজিংয়ের মধ্যকার সম্পর্ক এখন এক ‘অভূতপূর্ব উচ্চতায়’ পৌঁছেছে বলেও মন্তব্য করেন পুতিন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই বৈঠকের জন্য অপেক্ষায় ছিলেন বলেও জানান। অন্যদিকে শি জিনপিং তার উদ্বোধনী বক্তব্যে পুতিনকে বলেছেন, উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবনে চীন ও রাশিয়ার একে অপরকে সহায়তা করা উচিত।
এর জবাবে পুতিন বলেন, বেইজিংয়ের জন্য মস্কো ‘নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহকারী’ হিসেবেই থাকছে।

টিটিএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow