২০০৮ সাল থেকেই নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংসের প্রক্রিয়া শুরু : শফিকুল আলম

বাংলাদেশে নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংসের প্রক্রিয়া ২০০৭-০৮ সালের সামরিক-সমর্থিত সরকারের সময় থেকেই শুরু হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, ‘ওই সময় জেনারেল মইন ইউ আহমেদের নেতৃত্বে এবং ডি জিএফ আই য়ের তৎকালীন প্রভাবশালী কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার আমিন ও ব্রিগেডিয়ার বারির সহযোগিতায় ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি করা হয়। এর মাধ্যমে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকে ভূমিধস বিজয় পাইয়ে দেওয়া হয়।’ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব মন্তব্য করেন। শফিকুল আলম বলেন, ‘২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিশনের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০০৮ সালের নির্বাচনে অন্তত ১ হাজার ১০০টি ভোটকেন্দ্রে শতভাগ ভোটার উপস্থিতি দেখানো হয়, যা বাস্তবে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। এতে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়, মৃত ভোটারদের নামেও ভোট পড়েছে।’ তিনি আরো বলেন, সরকারিভাবে ঘোষিত ৮৮ শতাংশ ভোটার উপস্থিতিও ছিল ‘সম্পূর্ণ অবাস্তব’ এবং ‘প্রশ্নবিদ্ধ’। প্রেসসচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালের একতরফা ও জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচন দেশে

২০০৮ সাল থেকেই নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংসের প্রক্রিয়া শুরু : শফিকুল আলম

বাংলাদেশে নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংসের প্রক্রিয়া ২০০৭-০৮ সালের সামরিক-সমর্থিত সরকারের সময় থেকেই শুরু হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, ‘ওই সময় জেনারেল মইন ইউ আহমেদের নেতৃত্বে এবং ডি জিএফ আই য়ের তৎকালীন প্রভাবশালী কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার আমিন ও ব্রিগেডিয়ার বারির সহযোগিতায় ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি করা হয়। এর মাধ্যমে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকে ভূমিধস বিজয় পাইয়ে দেওয়া হয়।’

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

শফিকুল আলম বলেন, ‘২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিশনের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০০৮ সালের নির্বাচনে অন্তত ১ হাজার ১০০টি ভোটকেন্দ্রে শতভাগ ভোটার উপস্থিতি দেখানো হয়, যা বাস্তবে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। এতে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়, মৃত ভোটারদের নামেও ভোট পড়েছে।’

তিনি আরো বলেন, সরকারিভাবে ঘোষিত ৮৮ শতাংশ ভোটার উপস্থিতিও ছিল ‘সম্পূর্ণ অবাস্তব’ এবং ‘প্রশ্নবিদ্ধ’।

প্রেসসচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালের একতরফা ও জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচন দেশের দ্বিদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে কার্যত ধ্বংস করে দেয়।

তিনি বলেন, ‘১৯৯১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা চালুর পর রাজনৈতিক ব্যবস্থায় যে সামান্য ভারসাম্য তৈরি হয়েছিল, ২০০৮ সালের নির্বাচন সেটি পুরোপুরি ভেঙে দেয়।’

তিনি বলেন, ‘এরই ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়, যা বিরোধী দলের জন্য গণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতায় ফেরার পথ বন্ধ করে দেয়।’

শফিকুল আলম আরো বলেন, ‘এরপর ধারাবাহিকভাবে একের পর এক প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে ভোট শুরুর আগেই আওয়ামী লীগ ১৫৩টি সংসদীয় আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow