২০ দিন বন্ধ থাকবে ঢাকা কলেজ ছাত্রাবাস, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
ছাত্রাবাসের পানির রিজার্ভার এবং পানির লাইন সংস্কারের জন্য আগামী ১৭ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল ঢাকা কলেজের ছাত্রাবাস ২০ দিন বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে কলেজ প্রশাসন। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা।
রোববার (১৫ মার্চ) কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, ছাত্রাবাসের পানির রিজার্ভার এবং পানির লাইনে কাজ করানো হবে। এজন্য ছাত্রাবাসে পানির সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
একইসঙ্গে ছাত্রাবাসে বসবাসরত শিক্ষার্থীদের সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেল ৫টার মধ্যে ছাত্রাবাস ত্যাগ করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়।
এ বিষয়ে অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস বলেন, ‘কলেজের কেন্দ্রীয় পানির রিজার্ভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেটার সংস্কার প্রয়োজন। সে কারণে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছাত্রাবাসগুলো পানির অভাবে চালু রাখা যাবে না। পানি ছাড়া ছাত্রাবাসে থাকা সম্ভব না। আমরা ৫ এপ্রিল থেকে আবারও কলেজের ছাত্রাবাস খোলার চেষ্টা করব।’
তিনি জানান, মেরামতকারীরা প্রায় ১৫ দিনের মতো সময় চেয়েছে। এর মধ্যে কলেজের পানির রিজার্ভারের সংষ্কার চলবে, রিজার্ভার পুরোপুরি খালি করে এই কাজ ক
ছাত্রাবাসের পানির রিজার্ভার এবং পানির লাইন সংস্কারের জন্য আগামী ১৭ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল ঢাকা কলেজের ছাত্রাবাস ২০ দিন বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে কলেজ প্রশাসন। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা।
রোববার (১৫ মার্চ) কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, ছাত্রাবাসের পানির রিজার্ভার এবং পানির লাইনে কাজ করানো হবে। এজন্য ছাত্রাবাসে পানির সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
একইসঙ্গে ছাত্রাবাসে বসবাসরত শিক্ষার্থীদের সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেল ৫টার মধ্যে ছাত্রাবাস ত্যাগ করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়।
এ বিষয়ে অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস বলেন, ‘কলেজের কেন্দ্রীয় পানির রিজার্ভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেটার সংস্কার প্রয়োজন। সে কারণে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছাত্রাবাসগুলো পানির অভাবে চালু রাখা যাবে না। পানি ছাড়া ছাত্রাবাসে থাকা সম্ভব না। আমরা ৫ এপ্রিল থেকে আবারও কলেজের ছাত্রাবাস খোলার চেষ্টা করব।’
তিনি জানান, মেরামতকারীরা প্রায় ১৫ দিনের মতো সময় চেয়েছে। এর মধ্যে কলেজের পানির রিজার্ভারের সংষ্কার চলবে, রিজার্ভার পুরোপুরি খালি করে এই কাজ করতে হবে।
এ সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে সমালোচনা করছেন ছাত্রাবাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা। মূলত, ঢাকা কলেজ ছাত্রাবাসে প্রায় ১৩০০ আবাসিক শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ শিক্ষার্থী ঈদের ছুটিতে বর্তমানে ছাত্রাবাসে অবস্থান না করলেও প্রায় অর্ধ-শতাধিক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে ঈদ উদযাপনের করবে। ফলে ছাত্রাবাসে অবস্থান করা এসব শিক্ষার্থীরা তীব্র পানি সংকটে পড়তে পারেন বলে ধারণা করছেন শিক্ষার্থী ও কলেজ কর্তৃপক্ষ।
ঢাকা কলেজ উত্তর ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থী সজীব উদ্দীন বলেন, ‘ছাত্রাবাস বন্ধের সিদ্ধান্তের বিষয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ২০ দিনের এই দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের নামে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর জীবনকে অমানবিক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলে দেওয়ার হঠকারী সিদ্ধান্ত প্রশাসনকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মৌলিক অধিকার নিয়ে কোনো প্রকার টালবাহানা বা অবহেলা সাধারণ ছাত্ররা মেনে নেবে না। আমাদের দাবি, এই দীর্ঘ সময়সীমা কমিয়ে আনতে হবে এবং সংস্কার চলাকালীন বিকল্প পানির নিরবচ্ছিন্ন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। প্রশাসনের প্রতি উদাত্ত আহ্বান, অবিলম্বে কার্যকরী সমাধান দিন, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করুন।’