২০ বছরেও নির্মিত হয়নি সেতুর সংযোগ সড়ক, ভোগান্তিতে স্থানীয়রা
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার ঝলম ও হাওরা গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে ডাকাতিয়া নদীর উপর নির্মিত হাওরা সেতু জনগণের কোনো কাজে আসছে না। সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় গত ২০ বছর ধরে সেতুটি এলাকার জনগণের দুঃখ হিসেবে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। এতে ডাকাতিয়া নদীর দুই পাড়ের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ৫ জানুয়ারি বিএনপির তৎকালীন স্থানীয় সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম ওই সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে এলজিইডির তত্ত্বাবধানে ও ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) অর্থায়নে ৮০ লাখ টাকায় ওই সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ২০০৬ সালের ৩০ এপ্রিল নির্মাণ কাজ শেষ হয় এবং একই দিন উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু সংযোগ সড়ক না করেই উদ্বোধন করায় তখন থেকেই অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. শাহজাহান বলেন, সেতুর উভয় পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় স্থানীয় লোকজনকে বছরের পর বছর ধরে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ওই সেতুর স্থানে আগে বাঁশের সাঁকো ছিল। হেঁটে এ সাঁকো দিয়ে দ্রুত পার হওয়া যেত। উঁচু সেতু নির্ম
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার ঝলম ও হাওরা গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে ডাকাতিয়া নদীর উপর নির্মিত হাওরা সেতু জনগণের কোনো কাজে আসছে না। সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় গত ২০ বছর ধরে সেতুটি এলাকার জনগণের দুঃখ হিসেবে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে।
এতে ডাকাতিয়া নদীর দুই পাড়ের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ৫ জানুয়ারি বিএনপির তৎকালীন স্থানীয় সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম ওই সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে এলজিইডির তত্ত্বাবধানে ও ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) অর্থায়নে ৮০ লাখ টাকায় ওই সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ২০০৬ সালের ৩০ এপ্রিল নির্মাণ কাজ শেষ হয় এবং একই দিন উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু সংযোগ সড়ক না করেই উদ্বোধন করায় তখন থেকেই অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. শাহজাহান বলেন, সেতুর উভয় পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় স্থানীয় লোকজনকে বছরের পর বছর ধরে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ওই সেতুর স্থানে আগে বাঁশের সাঁকো ছিল। হেঁটে এ সাঁকো দিয়ে দ্রুত পার হওয়া যেত। উঁচু সেতু নির্মাণ হওয়ায় এবং এর দুই দিকে মাটি না থাকায় চলাচলে সমস্যা হয়। এছাড়া বর্ষাকালে সেতুটির সঙ্গে সংযুক্ত নামমাত্র রাস্তা থাকলেও সেটা পানিতে তলিয়ে যায়। এতে বাধ্য হয়ে এলাকার মানুষকে নৌকাযোগে নদী পারাপার হতে হয়।
আরেক বাসিন্দা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন, ব্রিজটির সঙ্গে উভয়ই পাশে সংযুক্ত ভালো সড়ক না থাকায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে আছে। ধানের মৌসুমে এলাকার মানুষ এখানে ধান শুকায়। বর্ষাকালে গরু-ছাগল বেঁধে রাখে।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাহ আলম বলেন, হাওরা ব্রিজের উভয় পাশে ভালো সংযোগ সড়ক না থাকায় এটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আগের ঠিকাদার সড়কটি নির্মাণ কাজ অসম্পূর্ণ রেখে চলে গেছেন। আবার নতুন করে টেন্ডার দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আশা করি, শিগ্গির নির্মাণ কাজ শুরু হবে।
What's Your Reaction?