২১০০ সালের মধ্যে গরু-ছাগলের ঘাসের জমি অর্ধেক কমতে পারে
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের গবাদি পশু পালনের জন্য উপযোগী জমির পরিমাণ ২১০০ সালের মধ্যে অর্ধেক পর্যন্ত কমতে পারে। জার্মানির পটসডাম ইনস্টিটিউট ফর ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট রিসার্চের (পিআইকে) নতুন গবেষণায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। গবেষণা অনুযায়ী, বর্তমানে পৃথিবীর এক-তৃতীয়াংশ জমি আচ্ছাদন করে আছে গরু, ছাগল ও ভেড়ার জন্য ব্যবহৃত ঘাসভিত্তিক খামার জায়গা। ভবিষ্যতে এসব জমি তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে সংকুচিত হবে। এতে প্রায় ১০ কোটিরও বেশি পশুপালনকারী এবং প্রায় ১৬০ কোটি গবাদি পশু সরাসরি প্রভাবিত হবে। গবেষকরা বলছেন, বর্তমানে এ ধরনের খামারে নির্দিষ্ট তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাত প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খামারের জন্য ‘নিরাপদ জলবায়ু স্থান’ কমে যাবে। গবেষণায় বিশেষভাবে আফ্রিকাকে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে খামারের জমি ১৬ শতাংশ থেকে ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। এটি ভবিষ্যতের কার্বন নির্গমনের ওপর নির্ভর করছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে আফ্রিকার উচ্চভূমি, ইস্ট আফ্রিকান রিফ ভ্যালি এবং কঙ্গো বেসিনের মতো প্রধান ঘাসভিত্তিক অঞ্চল দক্ষিণ দিকে সরতে পারে। গবেষকরা সতর
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের গবাদি পশু পালনের জন্য উপযোগী জমির পরিমাণ ২১০০ সালের মধ্যে অর্ধেক পর্যন্ত কমতে পারে। জার্মানির পটসডাম ইনস্টিটিউট ফর ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট রিসার্চের (পিআইকে) নতুন গবেষণায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
গবেষণা অনুযায়ী, বর্তমানে পৃথিবীর এক-তৃতীয়াংশ জমি আচ্ছাদন করে আছে গরু, ছাগল ও ভেড়ার জন্য ব্যবহৃত ঘাসভিত্তিক খামার জায়গা। ভবিষ্যতে এসব জমি তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে সংকুচিত হবে। এতে প্রায় ১০ কোটিরও বেশি পশুপালনকারী এবং প্রায় ১৬০ কোটি গবাদি পশু সরাসরি প্রভাবিত হবে।
গবেষকরা বলছেন, বর্তমানে এ ধরনের খামারে নির্দিষ্ট তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাত প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খামারের জন্য ‘নিরাপদ জলবায়ু স্থান’ কমে যাবে।
গবেষণায় বিশেষভাবে আফ্রিকাকে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে খামারের জমি ১৬ শতাংশ থেকে ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। এটি ভবিষ্যতের কার্বন নির্গমনের ওপর নির্ভর করছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে আফ্রিকার উচ্চভূমি, ইস্ট আফ্রিকান রিফ ভ্যালি এবং কঙ্গো বেসিনের মতো প্রধান ঘাসভিত্তিক অঞ্চল দক্ষিণ দিকে সরতে পারে।
গবেষকরা সতর্ক করেছেন, পরিবেশ দূষণ কমানো ও জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার দ্রুত কমানোই একমাত্র কার্যকর উপায়। এটি গবাদিপশু পালনকে সুরক্ষিত রাখতে পারে।
What's Your Reaction?