২১৬টি ডায়মন্ডের নাকফুলসহ ২ ভারতীয় নাগরিক আটক
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর চেকপোস্টে অভিযান চালিয়ে ২১৬টি ডায়মন্ডের নাকফুল, একটি ভারতীয় ট্রাকসহ দুই ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে ভোমরা চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয় সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে ভোমরা চেকপোস্টে সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমানের নির্দেশনায় পরিচালিত অভিযানে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির একটি দল চেকপোস্ট এলাকায় অবস্থান নেয়। বিজিবি জানায়, ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশকারী একটি পণ্যবাহী ট্রাকে ডায়মন্ডের নাকফুল পাচার করা হবে, এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। পরে ভারতের ঘোজাডাঙ্গা স্থলবন্দর থেকে আসা একটি রপ্তানিকারক ট্রাক তল্লাশি করে ২১৬টি ডায়মন্ডের নাকফুল উদ্ধার করা হয়। এ সময় চোরাচালানের অভিযোগে ট্রাকটির চালক সমরেশ দাস ও সহযোগী রাম মণ্ডলকে আটক করা হয়। তাদের বাড়ি ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট এলাকায়। বিজিবি আরও জানায়, উদ্ধার করা ডায়মন্ডের নাকফুলের আনুমানিক মূল্য ৪৫ লাখ ৬২ হাজার টাকা এবং ট্রাকটির মূল্য প্রায় ৮৫ লাখ টাকা। সব ম
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর চেকপোস্টে অভিযান চালিয়ে ২১৬টি ডায়মন্ডের নাকফুল, একটি ভারতীয় ট্রাকসহ দুই ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে ভোমরা চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়
সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে ভোমরা চেকপোস্টে সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমানের নির্দেশনায় পরিচালিত অভিযানে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির একটি দল চেকপোস্ট এলাকায় অবস্থান নেয়।
বিজিবি জানায়, ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশকারী একটি পণ্যবাহী ট্রাকে ডায়মন্ডের নাকফুল পাচার করা হবে, এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। পরে ভারতের ঘোজাডাঙ্গা স্থলবন্দর থেকে আসা একটি রপ্তানিকারক ট্রাক তল্লাশি করে ২১৬টি ডায়মন্ডের নাকফুল উদ্ধার করা হয়।
এ সময় চোরাচালানের অভিযোগে ট্রাকটির চালক সমরেশ দাস ও সহযোগী রাম মণ্ডলকে আটক করা হয়। তাদের বাড়ি ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট এলাকায়।
বিজিবি আরও জানায়, উদ্ধার করা ডায়মন্ডের নাকফুলের আনুমানিক মূল্য ৪৫ লাখ ৬২ হাজার টাকা এবং ট্রাকটির মূল্য প্রায় ৮৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে জব্দ করা মালামালের মূল্য ১ কোটি ৩০ লাখ ৬২ হাজার টাকা।
বিজিবির দাবি, শুল্ক ও কর ফাঁকি দিয়ে এসব পণ্য অবৈধভাবে ভারত থেকে বাংলাদেশে আনার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এ ধরনের চোরাচালানের কারণে একদিকে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়, অন্যদিকে সরকার উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়।
সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান ও রাজস্ব ফাঁকি রোধে বিজিবির অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
What's Your Reaction?