৩০ বছর পর কবর থেকে তোলা হচ্ছে সালমান শাহ’র মরদেহ
প্রয়াত চলচ্চিত্র অভিনেতা সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের লক্ষ্যে তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
একই সঙ্গে লাশ উত্তোলন করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার অনুমতিও দিয়েছেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা গত ২৪ মে এ আদেশ দেন। পরবর্তীতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ।
তদন্ত কর্মকর্তা জানান, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের স্বার্থে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সালমান শাহর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে পুনরায় সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার আবেদন করা হয়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করা হবে বলেও তিনি জানান।
মামলার নথি অনুযায়ী, বাদী মো. আলমগীর (৬৮) আদালতে দাখিলকৃত তথ্যে উল্লেখ করেন যে, সালমান শাহর মৃত্যুর দিন ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে তার পরিবারের সদস্যরা নিউ ইস্কাটন রোডের ইস্কাটন প্লাজা এলাকার বাসায় যান। সে সময় তাকে ঘুমিয়ে আছেন বলে
প্রয়াত চলচ্চিত্র অভিনেতা সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের লক্ষ্যে তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
একই সঙ্গে লাশ উত্তোলন করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার অনুমতিও দিয়েছেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা গত ২৪ মে এ আদেশ দেন। পরবর্তীতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ।
তদন্ত কর্মকর্তা জানান, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের স্বার্থে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সালমান শাহর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে পুনরায় সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার আবেদন করা হয়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করা হবে বলেও তিনি জানান।
মামলার নথি অনুযায়ী, বাদী মো. আলমগীর (৬৮) আদালতে দাখিলকৃত তথ্যে উল্লেখ করেন যে, সালমান শাহর মৃত্যুর দিন ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে তার পরিবারের সদস্যরা নিউ ইস্কাটন রোডের ইস্কাটন প্লাজা এলাকার বাসায় যান। সে সময় তাকে ঘুমিয়ে আছেন বলে জানানো হয়। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ ফোনে জানানো হয় যে সালমান শাহ অসুস্থ অবস্থায় আছেন, দ্রুত আসতে বলা হয়।
পরিবার সদস্যরা সেখানে পৌঁছে তাকে শয়নকক্ষে খাটের ওপর পড়ে থাকতে দেখেন। দ্রুত তাকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর একই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর রমনা থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘ সময় পর গত বছরের ২১ অক্টোবর সালমান শাহর মামা মো. আলমগীর বাদী হয়ে রমনা থানায় নতুন করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
মামলার এজাহারে সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস সাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদসহ মোট ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এছাড়া অজ্ঞাত আরও অনেককে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা।