৩৮ দিনের ছুটি শেষে প্রাণচঞ্চল ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাস
পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবসসহ ৩৮ দিনের দীর্ঘ ছুটি শেষে আজ খুলেছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
রোববার (২৯ মার্চ) দীর্ঘদিন পর আবারও প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর হয়ে উঠে ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাস। তবে প্রথম দিন হওয়ায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হয়েছে পুরোদমে। অনেকদিন পর ক্যাম্পাসে ফিরে এসে সহপাঠীদের বুকে জড়িয়ে নেওয়া আর আড্ডা ও হাসি তামাশায় মেতে উঠতে শিক্ষার্থীরা।
ঢাকা কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মাহিন ভূইয়া বলেন, ‘ঈদের পর ক্যাম্পাসে ফিরে খুবই সুন্দর অনুভূতি হচ্ছে। বাড়ির পর এটিই আমার সেকেন্ড হোম। ক্যাম্পাসে যখনই আসি, তখনই একটা ভালো লাগা কাজ করে।’
মাহিন আরও বলেন, ‘অনেকদিন ছুটির পর ক্লাসে গিয়ে শিক্ষক ও বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে দেখা হয়ে খুবই ভালো লেগেছে। আজ ক্লাসে উপস্থিতির সংখ্যা কম ছিল। রমজানে যেহেতু কলেজে ছুটি ছিল, তাই পরিবারের সবার সঙ্গে সেহরি ও ইফতার করেছি। তাদের সবার সঙ্গে সুন্দরভাবেই ঈদ সম্পন্ন করে আবার ঢাকায় ফিরেছি।’
কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী তুর্য বলেন, ‘ঈদের ছুটির পর ক্যাম্পাসে ফিরে সত্যিই ভালো লাগছে, যদিও উপস্থিতির সংখ্যা কম।
পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবসসহ ৩৮ দিনের দীর্ঘ ছুটি শেষে আজ খুলেছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
রোববার (২৯ মার্চ) দীর্ঘদিন পর আবারও প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর হয়ে উঠে ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাস। তবে প্রথম দিন হওয়ায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হয়েছে পুরোদমে। অনেকদিন পর ক্যাম্পাসে ফিরে এসে সহপাঠীদের বুকে জড়িয়ে নেওয়া আর আড্ডা ও হাসি তামাশায় মেতে উঠতে শিক্ষার্থীরা।
ঢাকা কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মাহিন ভূইয়া বলেন, ‘ঈদের পর ক্যাম্পাসে ফিরে খুবই সুন্দর অনুভূতি হচ্ছে। বাড়ির পর এটিই আমার সেকেন্ড হোম। ক্যাম্পাসে যখনই আসি, তখনই একটা ভালো লাগা কাজ করে।’
মাহিন আরও বলেন, ‘অনেকদিন ছুটির পর ক্লাসে গিয়ে শিক্ষক ও বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে দেখা হয়ে খুবই ভালো লেগেছে। আজ ক্লাসে উপস্থিতির সংখ্যা কম ছিল। রমজানে যেহেতু কলেজে ছুটি ছিল, তাই পরিবারের সবার সঙ্গে সেহরি ও ইফতার করেছি। তাদের সবার সঙ্গে সুন্দরভাবেই ঈদ সম্পন্ন করে আবার ঢাকায় ফিরেছি।’
কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী তুর্য বলেন, ‘ঈদের ছুটির পর ক্যাম্পাসে ফিরে সত্যিই ভালো লাগছে, যদিও উপস্থিতির সংখ্যা কম। তারপরও যেহেতু দীর্ঘদিন পর ক্লাস শুরু হলো, সবাই একসঙ্গে হৈ-হুল্লোড় ও আড্ডায় মেতে উঠেছে-সব মিলিয়ে ভালো লাগছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকের ক্লাসগুলো খুবই ভালোভাবে হয়েছে। শিক্ষকরাও পড়াশোনার জন্য শিক্ষার্থীদের বেশ গুরুত্ব দিচ্ছেন। দীর্ঘদিন ক্যাম্পাস বন্ধ থাকার সুবাদে বাসায় ঈদ করেছি। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি। খুবই সুন্দরভাবে রমজান ও ঈদের ছুটি পরিবারের সঙ্গেই কাটানো হয়েছে।’
উচ্চ মাধ্যমিকের আরেক শিক্ষার্থী অভিষেক আহমেদ আবির বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর ক্যাম্পাসে এসে আমার খুবই ভালো লাগছে। দীর্ঘদিন ক্যাম্পাস বন্ধ থাকার কারণে ক্যাম্পাসের সবকিছুই সুন্দর লাগছে। ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি খুবই কম, এখনো অনেকে আসেনি। প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থী আজ উপস্থিত ছিল।’
দর্শন বিভাগের শিক্ষক নাজমুল হুসাইন নয়ন জানান, ‘প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম থাকাটা স্বাভাবিক। আশা করছি, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে উপস্থিতির সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। সিলেবাস শেষ করার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’