৩৮ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

বরগুনার পাথরঘাটায় অভিযান চালিয়ে ৩৮ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (০৪ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে পাথরঘাটা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র বিএফডিসি এলাকার মেসার্স গাজী স্টোর থেকে এসব ডিজেল উদ্ধার করা হয়। পাথরঘাটা থানার ওসি মোহাম্মদ এনাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জেলেদের সূত্রে জানা গেছে, মেসার্স গাজী স্টোরের স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুল্লাহ গাজী অতিরিক্ত মুনাফার আশায় একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে তেল মজুত করে রেখেছিলেন। এতে জ্বালানি সংকটে পড়ে অনেক জেলে সাগরে মাছ ধরতে যেতে পারেননি। গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাপস পাল উদ্ধার হওয়া ডিজেল সরকারি নির্ধারিত মূল্যে ট্রলার মালিকদের কাছে বিক্রির নির্দেশ দেন। পাশাপাশি অবৈধভাবে জ্বালানি মজুত রাখার দায়ে মেসার্স গাজী স্টোরের স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুল্লাহ গাজীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ট্রলার মালিক ইউসুফ মিয়া জানান, দীর্ঘদিনের ভোগান্তির পর প্রশাসনের এ অভিযানে স্বস্তি ফিরেছে তাদের মাঝে। বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলা

৩৮ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

বরগুনার পাথরঘাটায় অভিযান চালিয়ে ৩৮ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (০৪ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে পাথরঘাটা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র বিএফডিসি এলাকার মেসার্স গাজী স্টোর থেকে এসব ডিজেল উদ্ধার করা হয়।

পাথরঘাটা থানার ওসি মোহাম্মদ এনাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলেদের সূত্রে জানা গেছে, মেসার্স গাজী স্টোরের স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুল্লাহ গাজী অতিরিক্ত মুনাফার আশায় একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে তেল মজুত করে রেখেছিলেন। এতে জ্বালানি সংকটে পড়ে অনেক জেলে সাগরে মাছ ধরতে যেতে পারেননি।

গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাপস পাল উদ্ধার হওয়া ডিজেল সরকারি নির্ধারিত মূল্যে ট্রলার মালিকদের কাছে বিক্রির নির্দেশ দেন। পাশাপাশি অবৈধভাবে জ্বালানি মজুত রাখার দায়ে মেসার্স গাজী স্টোরের স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুল্লাহ গাজীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ট্রলার মালিক ইউসুফ মিয়া জানান, দীর্ঘদিনের ভোগান্তির পর প্রশাসনের এ অভিযানে স্বস্তি ফিরেছে তাদের মাঝে।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, জ্বালানির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে পাথরঘাটার জেলেরা সাগরে মাছ শিকারে যেতে পারেননি। প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী ফিশিং ট্রলারের তালিকা অনুসারে রাতেই এসব ডিজেল বিক্রি করা হবে। রাতেই জেলেরা মাছ ধরার জন্য সাগরে রওনা দেবে।

ইউএনও তাপস পাল বলেন, জ্বালানি নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow