৩ ঘণ্টায় বর্জ্য অপসারণ করবে ময়মনসিংহ সিটি
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন। ঈদের দিন দুপুর ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে নগরের সব বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে প্রায় ৮০০ পরিচ্ছন্নতাকর্মী। বুধবার (২৭ মে) দুপুরে নগরের সার্কিট হাউস মাঠসংলগ্ন অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট ও কেন্দ্রীয় আঞ্জুমান ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান। এ সময় সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, সাধারণত দুপুর ২টার পর থেকে কোরবানির বর্জ্য জমতে শুরু করে। তাই বিকেল ৩টা থেকে একযোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করা হবে। আমিসহ প্রায় ৮০০ কর্মী মাঠে কাজ করব। সন্ধ্যার আগেই নগরের কোথাও যেন কোনো বর্জ্য পড়ে না থাকে সেই চেষ্টা থাকবে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের উৎসাহ দিতে সরকার বিশেষ বোনাস দিয়েছে জানিয়ে প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে পাঁচ হাজার টাকা করে ঈদ বোনাস দিয়েছেন। এতে কর্মীরা আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে আগ্রহী হয়েছেন। পশুরহাট ব্যবস্থাপনা নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, মঙ্গলবা
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন। ঈদের দিন দুপুর ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে নগরের সব বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে প্রায় ৮০০ পরিচ্ছন্নতাকর্মী।
বুধবার (২৭ মে) দুপুরে নগরের সার্কিট হাউস মাঠসংলগ্ন অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট ও কেন্দ্রীয় আঞ্জুমান ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান। এ সময় সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, সাধারণত দুপুর ২টার পর থেকে কোরবানির বর্জ্য জমতে শুরু করে। তাই বিকেল ৩টা থেকে একযোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করা হবে। আমিসহ প্রায় ৮০০ কর্মী মাঠে কাজ করব। সন্ধ্যার আগেই নগরের কোথাও যেন কোনো বর্জ্য পড়ে না থাকে সেই চেষ্টা থাকবে।
পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের উৎসাহ দিতে সরকার বিশেষ বোনাস দিয়েছে জানিয়ে প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে পাঁচ হাজার টাকা করে ঈদ বোনাস দিয়েছেন। এতে কর্মীরা আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে আগ্রহী হয়েছেন।
পশুরহাট ব্যবস্থাপনা নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, মঙ্গলবার গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন পশুরহাট পরিদর্শন করা হয়েছে। কোথাও নির্ধারিত হারের অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বরং কিছু কিছু হাটে নির্ধারিত দামের চেয়েও কমে খাজনা আদায় করা হচ্ছে।
মো. রুকুনোজ্জামান বলেন, নগরের বিভিন্ন সড়কে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে যাতে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি না হয়। এতে ক্রেতা-বিক্রেতারা স্বস্তিতে পশু কেনাবেচা করতে পারছেন।
তিনি আরও বলেন, ফজরের নামাজের পর থেকেই পশুরহাট পরিষ্কারের কাজ শুরু হবে। প্রতিটি হাটে পানির গাড়ি ও ময়লা বহনের গাড়ি একসঙ্গে কাজ করবে। এছাড়া নগরবাসীর বাসায় বাসায় বর্জ্য রাখার জন্য ব্যাগ ও ব্লিচিং পাউডার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নিজের ঘরের মতো নগরও পরিষ্কার রাখতে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। ড্রেন বা রাস্তায় বর্জ্য না ফেলে নির্ধারিত ব্যাগে রাখলে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা তা সংগ্রহ করে নিয়ে যাবে।
পরে কেন্দ্রীয় আঞ্জুমান ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন শেষে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে মুসল্লিরা সুন্দর পরিবেশে ঈদের জামাতে অংশ নিতে পারবেন। ঈদগাহের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সিটি করপোরেশনের দুটি টিম কাজ করছে।
হোসাইন সুলভ/এনএইচআর/জেআইএম
What's Your Reaction?