৩ দফায় মেয়াদ বাড়লেও শেষ হয়নি রাস্তার কাজ

কুড়িগ্রামের চিলমারী-হরিপুর পিসি গার্ডার সেতুর সংযোগ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ তিন দফা বাড়িয়েও এখনো কাজ শেষ হয়নি। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় ও টানা বৃষ্টিতে সদ্যনির্মিত সড়কের দুই পাশে সৃষ্টি হয়েছে ছোট বড় মিলে প্রায় ৮৮টি গর্ত। এতে করে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি, যা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ইতোমধ্যে কাজ শেষ করতে চিঠি দিয়ে তাগাদা দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর জানিয়েছে। এলজিইডি অফিস সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের আগস্টে উপজেলা হেডকোয়ার্টার সড়কে তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত ১ হাজার ৪৯০ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা হেড কোয়ার্টার হতে পাঁচপীর জিসি সড়ক পর্যন্ত ৫.২৩ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নের কাজ শুরু হয়। যার ​চুক্তি মূল্য ১০ কোটি ৩৩ লাখ ২ হাজার ৮৩২ টাকা। বর্তমানে কাজের মাত্র ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে সড়কের দুই পাশের মাটি ধসে গিয়ে ৮৮টি ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গর্তের কারণে রিকশা, ভ্যান এমনকি পথচারীদের চলাচলও দায় হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি

৩ দফায় মেয়াদ বাড়লেও শেষ হয়নি রাস্তার কাজ
কুড়িগ্রামের চিলমারী-হরিপুর পিসি গার্ডার সেতুর সংযোগ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ তিন দফা বাড়িয়েও এখনো কাজ শেষ হয়নি। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় ও টানা বৃষ্টিতে সদ্যনির্মিত সড়কের দুই পাশে সৃষ্টি হয়েছে ছোট বড় মিলে প্রায় ৮৮টি গর্ত। এতে করে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি, যা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ইতোমধ্যে কাজ শেষ করতে চিঠি দিয়ে তাগাদা দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর জানিয়েছে। এলজিইডি অফিস সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের আগস্টে উপজেলা হেডকোয়ার্টার সড়কে তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত ১ হাজার ৪৯০ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা হেড কোয়ার্টার হতে পাঁচপীর জিসি সড়ক পর্যন্ত ৫.২৩ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নের কাজ শুরু হয়। যার ​চুক্তি মূল্য ১০ কোটি ৩৩ লাখ ২ হাজার ৮৩২ টাকা। বর্তমানে কাজের মাত্র ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে সড়কের দুই পাশের মাটি ধসে গিয়ে ৮৮টি ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গর্তের কারণে রিকশা, ভ্যান এমনকি পথচারীদের চলাচলও দায় হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি এবং ধীরগতির কারণেই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আতাউর নামে এক ব্যক্তি জানান, ​সেতু হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সড়কের অভাবে আমরা এর সুফল পাচ্ছি না। সামান্য বৃষ্টি হলেই গর্তে পানি জমে রাস্তা চলাচল অনুপযোগী হয়ে যায়। তিনবার সময় বাড়িয়েও কেন কাজ শেষ হয় না, তা আমাদের বোধগম্য নয়। ফয়সাল নামের আরেক ব্যক্তি জানান, কয়েক দিন আগে এক ব্যক্তি সাইকেলসহ গর্তে পড়ে গিয়েছিলেন। এই সড়কে অসংখ্য গর্তের কারণে চলাচল করতে অসুবিধা হচ্ছে। বিশেষ করে রাতে তো আরও ঝুঁকি থাকে। এ বিষয়ে চিলমারী উপজেলা প্রকৌশলী জুলফিকার আলী বলেন, কাজের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে, কাজ চলমান রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য তাগিদ দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।   

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow