৩ হাজার টাকায় আশ্রয়, শেষমেশ সেনা-পুলিশের অভিযানে ধরা পড়ল রোহিঙ্গারা

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের মরাগাছতলা এলাকার পাহাড়ি অঞ্চলে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ অভিযানে প্রায় এক হাজার রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসনের সদস্যরা অংশ নেন। আটক রোহিঙ্গারা দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ি এলাকায় স্থানীয়দের বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন বলে জানিয়েছে প্রশাসন। কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগত সহকারী কমিশনার মনজু বিন আফনান বলেন, গোয়েন্দা তথ্যে জানা যায়," পালংখালী থেকে কুতুপালং পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার রোহিঙ্গা ,ক্যাম্পের কাঁটাতারের বাইরে স্থানীয়দের সহায়তায় ভাড়া বাসায় অবস্থান করছেন।" এসব তথ্যের ভিত্তিতেই মরাগাছতলা এলাকায় অভিযান চালানো হয় এবং প্রায় ১ হাজার রোহিঙ্গাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি জানান, যাচাই-বাছাই শেষে তাদেরকে পুনরায় ক্যাম্পে পাঠানোর কাজ শুরু হয়েছে এবং যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা বেশি বলে জানা গেছে। আটক বয়োজ্যেষ্ঠ রোহিঙ্গা , ইমাম হোসেন বলেন, ক্

৩ হাজার টাকায় আশ্রয়, শেষমেশ সেনা-পুলিশের অভিযানে ধরা পড়ল রোহিঙ্গারা

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের মরাগাছতলা এলাকার পাহাড়ি অঞ্চলে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ অভিযানে প্রায় এক হাজার রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে।

রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসনের সদস্যরা অংশ নেন। আটক রোহিঙ্গারা দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ি এলাকায় স্থানীয়দের বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগত সহকারী কমিশনার মনজু বিন আফনান বলেন, গোয়েন্দা তথ্যে জানা যায়," পালংখালী থেকে কুতুপালং পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার রোহিঙ্গা ,ক্যাম্পের কাঁটাতারের বাইরে স্থানীয়দের সহায়তায় ভাড়া বাসায় অবস্থান করছেন।" এসব তথ্যের ভিত্তিতেই মরাগাছতলা এলাকায় অভিযান চালানো হয় এবং প্রায় ১ হাজার রোহিঙ্গাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

তিনি জানান, যাচাই-বাছাই শেষে তাদেরকে পুনরায় ক্যাম্পে পাঠানোর কাজ শুরু হয়েছে এবং যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা বেশি বলে জানা গেছে।

আটক বয়োজ্যেষ্ঠ রোহিঙ্গা , ইমাম হোসেন বলেন, ক্যাম্পের ভেতরে থাকার জায়গা না পাওয়ায় তারা সিআইসিকে জানিয়েছিলেন, কিন্তু ব্যবস্থা না হওয়ায় বাধ্য হয়ে কাঁটাতারের বাইরে স্থানীয়দের বাড়িতে মাসিক তিন হাজার টাকা ভাড়ায় থাকতে হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহেদা বলেন, প্রথমে রোহিঙ্গারা থাকার জায়গা না পেয়ে তার বাসায় ভাড়া থাকতে চাইলে তিনি মানবিক কারণে অনুমতি দেন, তবে আজ সেনাবাহিনী ও পুলিশ এসে তাদের নিয়ে গেছে।

আটক রোহিঙ্গা নারী সেতারা বেগম বলেন, তারা বাস্তুচ্যুত মানুষ, ক্যাম্পের ভেতরে জায়গা পেলে কখনোই টাকা দিয়ে বাইরে ভাড়া থাকতেন না।

সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, সামনে জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের আইনশৃঙ্খলার অবনতি না ঘটে সেজন্য এই যৌথ অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow