৪০ হাজার টাকায় চুক্তি: শেরপুর সীমান্তে ভারতে ঢোকার সময় আটক ৯

শেরপুরের শ্রীবরদী সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে নারী ও শিশুসহ ৯ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার দুপুরে কর্ণঝোড়া বিওপির টহল দল উপজেলার হারিয়াকোনা এলাকা থেকে তাদের আটক করে। পরে রাতে তাদের শ্রীবরদী থানায় হস্তান্তর করা হয়। আটক ব্যক্তিরা সবাই হিন্দু সম্প্রদায়ের এবং তাদের বাড়ি নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ভোলা জেলায়। আটকদের মধ্যে চার শিশু, তিন নারী ও দুই পুরুষ। আটকরা হলেন, ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার মৃত ভক্ত জলদাসের ছেলে আপন জলদাস (৩০), তার স্ত্রী নয়নতারা (২৫), তাদের চার বছর বয়সী মেয়ে দিয়া মনি (৪) ও সাত মাস বয়সী মেয়ে হিয়া মনি। নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার প্রাণহরি চন্দ্র জলদাসের ছেলে বিজয় হরি জলদাস (৪৬), তার স্ত্রী সুলক্ষী (৪২) ও মেয়ে রূপা জলদাস (১৩)। এছাড়া লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার রাম দাসের মেয়ে বীণা দাস (৩১) ও তার মেয়ে রিয়া রানী (৭)। বিজিবি জানায়, স্থানীয় মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য সুমন, সাজু, আজিবর, কালু ও সুমন মিয়ার সঙ্গে জনপ্রতি ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভারতে পাচারের চুক্তি হয়। বুধবার রাতে তারা ঢাকা থেকে শেরপুরে পৌঁছান। পরে আন্তর্জাতিক সীমান্

৪০ হাজার টাকায় চুক্তি: শেরপুর সীমান্তে ভারতে ঢোকার সময় আটক ৯

শেরপুরের শ্রীবরদী সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে নারী ও শিশুসহ ৯ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার দুপুরে কর্ণঝোড়া বিওপির টহল দল উপজেলার হারিয়াকোনা এলাকা থেকে তাদের আটক করে। পরে রাতে তাদের শ্রীবরদী থানায় হস্তান্তর করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা সবাই হিন্দু সম্প্রদায়ের এবং তাদের বাড়ি নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ভোলা জেলায়। আটকদের মধ্যে চার শিশু, তিন নারী ও দুই পুরুষ।

আটকরা হলেন, ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার মৃত ভক্ত জলদাসের ছেলে আপন জলদাস (৩০), তার স্ত্রী নয়নতারা (২৫), তাদের চার বছর বয়সী মেয়ে দিয়া মনি (৪) ও সাত মাস বয়সী মেয়ে হিয়া মনি। নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার প্রাণহরি চন্দ্র জলদাসের ছেলে বিজয় হরি জলদাস (৪৬), তার স্ত্রী সুলক্ষী (৪২) ও মেয়ে রূপা জলদাস (১৩)। এছাড়া লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার রাম দাসের মেয়ে বীণা দাস (৩১) ও তার মেয়ে রিয়া রানী (৭)।

বিজিবি জানায়, স্থানীয় মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য সুমন, সাজু, আজিবর, কালু ও সুমন মিয়ার সঙ্গে জনপ্রতি ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভারতে পাচারের চুক্তি হয়। বুধবার রাতে তারা ঢাকা থেকে শেরপুরে পৌঁছান। পরে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১০৯৫’র প্রায় দেড়শ গজ ভেতরে হারিয়াকোনা পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান নিয়ে সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন।

বিজিবির কঠোর নজরদারির কারণে তারা বুধবার রাতে সীমান্ত অতিক্রম করতে পারেননি। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের ভারতে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। তবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কর্ণঝোড়া বিওপির একটি টহল দল অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। পরে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে শ্রীবরদী থানায় সোপর্দ করা হয়।

শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল আলম বলেন, এ ঘটনায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে এবং ছয়জনের বিরুদ্ধে পাসপোর্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। শিশুদের বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা চাওয়া হবে। পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow