৪৫ দিন পর নাটোরে এলো ২১ ওয়াগন ডিজেল
দীর্ঘ ৪৫ দিন প্রতীক্ষার পর ডিজেল নিয়ে নাটোরে পৌঁছেছে তেলবাহী ট্রেনের ২১টি ওয়াগন। এতে মোট ৭ লাখ ২৫ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল রয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে তেলবাহী এই ওয়াগনগুলো নাটোর রেলওয়ে স্টেশনের পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ওয়েল কোম্পানির রেলহেড ডিপোতে এসে পৌঁছায়। জ্বালানি তেলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওয়াগনগুলো আসার সঙ্গে সঙ্গেই ডিপো এলাকায় অবস্থান নেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। তাদের কড়া প্রহরায় বিকেল ৩টা থেকে ট্যাংক লরিতে তেল খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়। পদ্মা অয়েল ডিপোর সিনিয়র অফিসার ফজলে এলাহী জানান, এই ডিপো থেকে নাটোরসহ রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার মোট ৬৭টি পাম্প এবং এজেন্সিগুলোতে সরাসরি ডিজেল সরবরাহ করা হবে। বর্তমানে চলতি বোরো ধান চাষসহ রবিশস্য মৌসুমে কৃষকদের সেচ কাজের জন্য ডিজেলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই সরবরাহের ফলে ওই চার জেলায় ডিজেল সংকট অনেকটাই লাঘব হবে বলে আশা করছে ডিপো কর্তৃপক্ষ। ডিপো সূত্র জানায়, খুলনা থেকে এই ডিজেলবাহী ওয়াগনগুলো নাটোরে এসেছে। এর আগে সর্বশেষ গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ৯ লাখ ৫৭ হাজার লিটার ডিজেল নিয়ে একটি ওয়াগন নাটোরে এসেছিল। মাঝখানে ৪৫ দিন কোনো সরবরাহ না থাক
দীর্ঘ ৪৫ দিন প্রতীক্ষার পর ডিজেল নিয়ে নাটোরে পৌঁছেছে তেলবাহী ট্রেনের ২১টি ওয়াগন। এতে মোট ৭ লাখ ২৫ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল রয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে তেলবাহী এই ওয়াগনগুলো নাটোর রেলওয়ে স্টেশনের পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ওয়েল কোম্পানির রেলহেড ডিপোতে এসে পৌঁছায়।
জ্বালানি তেলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওয়াগনগুলো আসার সঙ্গে সঙ্গেই ডিপো এলাকায় অবস্থান নেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। তাদের কড়া প্রহরায় বিকেল ৩টা থেকে ট্যাংক লরিতে তেল খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়।
পদ্মা অয়েল ডিপোর সিনিয়র অফিসার ফজলে এলাহী জানান, এই ডিপো থেকে নাটোরসহ রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার মোট ৬৭টি পাম্প এবং এজেন্সিগুলোতে সরাসরি ডিজেল সরবরাহ করা হবে। বর্তমানে চলতি বোরো ধান চাষসহ রবিশস্য মৌসুমে কৃষকদের সেচ কাজের জন্য ডিজেলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই সরবরাহের ফলে ওই চার জেলায় ডিজেল সংকট অনেকটাই লাঘব হবে বলে আশা করছে ডিপো কর্তৃপক্ষ।
ডিপো সূত্র জানায়, খুলনা থেকে এই ডিজেলবাহী ওয়াগনগুলো নাটোরে এসেছে। এর আগে সর্বশেষ গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ৯ লাখ ৫৭ হাজার লিটার ডিজেল নিয়ে একটি ওয়াগন নাটোরে এসেছিল। মাঝখানে ৪৫ দিন কোনো সরবরাহ না থাকায় মজুত প্রায় শেষ হয়ে এসেছিল।
What's Your Reaction?