৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইউএনওকে অপসারণের দাবিতে দুমকিতে বিক্ষোভ
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীকে অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা। মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া, দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করছেন তারা। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে দুমকি উপজেলা পরিষদের সামনে ‘ছাত্র ও জনগণ’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন অংশগ্রহণকারীরা। কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযোগ করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে জুলাই যোদ্ধাদের যথাযথ মূল্যায়ন না করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ না রাখার অভিযোগও তোলেন তারা। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জুলাই যোদ্ধা মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ইউএনওর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে তিনি কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি। জুলাই যোদ্ধাদেরও তিনি মূল্যায়ন করেন না। বারবার ফোন করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায় না। আরেক জুলাই যোদ্ধা শারমিন আক্তার স্বর্ণা বলেন, আমরা তাকে ৪৮ ঘণ্টা সময় দিচ
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীকে অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা। মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া, দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করছেন তারা।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে দুমকি উপজেলা পরিষদের সামনে ‘ছাত্র ও জনগণ’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন অংশগ্রহণকারীরা।
কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযোগ করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে জুলাই যোদ্ধাদের যথাযথ মূল্যায়ন না করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ না রাখার অভিযোগও তোলেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জুলাই যোদ্ধা মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ইউএনওর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে তিনি কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি। জুলাই যোদ্ধাদেরও তিনি মূল্যায়ন করেন না। বারবার ফোন করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায় না।
আরেক জুলাই যোদ্ধা শারমিন আক্তার স্বর্ণা বলেন, আমরা তাকে ৪৮ ঘণ্টা সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে তাকে নিজ ইচ্ছায় উপজেলা থেকে চলে যেতে হবে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে আবারও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। তিনি এই উপজেলা পরিচালনায় ব্যর্থ হয়েছেন।
সাধারণ শিক্ষার্থী আবু রাফি অভিযোগ করেন, ফ্যামিলি কার্ডের শুমারিতে ইউএনও পক্ষপাতিত্ব করেছেন।
তার দাবি, ওই শুমারিতে আওয়ামী লীগ ও ফ্যাসিস্ট পরিবারের লোকজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা ইউএনও আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর অপসারণসহ অভিযোগগুলোর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ইউএনও আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
মাহমুদ হাসান রায়হান/এনএইচআর/এএসএম
What's Your Reaction?
