৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে ভয়াবহ হামলা চালানো হবে : ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দেন এবং দ্রুত হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান। খবর রয়টার্সের। ট্রাম্প লিখেছেন, মঙ্গলবার ইরানে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলা চালানো হতে পারে। প্রণালি না খুললে ইরানকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে কিংবা সমঝোতায় আসতে ইরানকে নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পথে, আর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রাচ্যের তেল সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিটি গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে কার্যত বন্ধ রয়েছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। এই ইস্যুতে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর ওপরও চাপ সৃষ্টি করছেন ট্রাম্প। তিনি চান, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা ইরানের ব

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে ভয়াবহ হামলা চালানো হবে : ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দেন এবং দ্রুত হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান। খবর রয়টার্সের।

ট্রাম্প লিখেছেন, মঙ্গলবার ইরানে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলা চালানো হতে পারে। প্রণালি না খুললে ইরানকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে কিংবা সমঝোতায় আসতে ইরানকে নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পথে, আর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রাচ্যের তেল সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিটি গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে কার্যত বন্ধ রয়েছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে।

এই ইস্যুতে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর ওপরও চাপ সৃষ্টি করছেন ট্রাম্প। তিনি চান, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে সরাসরি অংশগ্রহণ করুক। তবে এ বিষয়ে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে ইউরোপীয় দেশগুলো।

যুক্তরাজ্য ইতোমধ্যে ৪১টি দেশকে নিয়ে বৈঠক করে, যেখানে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে প্রণালিটি বন্ধ রাখার জন্য ইরানকে দায়ী করা হয়।

এদিকে, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাঁখো যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের সমালোচনা করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরানে সামরিক অভিযান ইউরোপের নয় এবং এ ধরনের অভিযানে অংশ নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।

গত বৃহস্পতিবার ইরানের উত্তর-মধ্যাঞ্চলে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায় বলে জানা গেছে। ওই হামলায় একটি সামরিক সরবরাহ রুট ধ্বংস করা হয়েছে, যা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কার্যক্রমে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow