৫৫ বছর ধরে অবহেলিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরাঞ্চল: নূরুল ইসলাম বুলবুল
চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরাঞ্চলের সাত ইউনিয়নকে নিয়ে পৃথক উপজেলা গঠনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল। তিনি বলেছেন, গত ৫৫ বছরে চরাঞ্চলে তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। প্রতিবছর নদীভাঙনে এসব এলাকার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও শিক্ষা, চিকিৎসা ও নাগরিক সেবায় তারা পিছিয়ে রয়েছেন। শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আলাতুলি ইউনিয়নের আষাঢ়িয়াদহ এলাকায় পদ্মা নদীর উভয় তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় নদীর ডান তীরে ৪৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ দশমিক ০৯ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, জেলার নারায়ণপুর, দেবীনগর, চর আলাতুলি, পাকাসহ সাতটি ইউনিয়নে বর্ষা মৌসুম এলেই নদীভাঙন শুরু হয়। এতে প্রতিবছর অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তাদের রক্ষায় কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। আগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কী করেছেন, তা আমি জানি না। তবে এখন থেকে ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়নকাজও শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, এভাবে উন্নয়নের ধারা চলতে থাকলে আগামী ৫৫ বছরেও চরাঞ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরাঞ্চলের সাত ইউনিয়নকে নিয়ে পৃথক উপজেলা গঠনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল। তিনি বলেছেন, গত ৫৫ বছরে চরাঞ্চলে তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। প্রতিবছর নদীভাঙনে এসব এলাকার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও শিক্ষা, চিকিৎসা ও নাগরিক সেবায় তারা পিছিয়ে রয়েছেন।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আলাতুলি ইউনিয়নের আষাঢ়িয়াদহ এলাকায় পদ্মা নদীর উভয় তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় নদীর ডান তীরে ৪৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ দশমিক ০৯ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, জেলার নারায়ণপুর, দেবীনগর, চর আলাতুলি, পাকাসহ সাতটি ইউনিয়নে বর্ষা মৌসুম এলেই নদীভাঙন শুরু হয়। এতে প্রতিবছর অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তাদের রক্ষায় কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। আগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কী করেছেন, তা আমি জানি না। তবে এখন থেকে ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়নকাজও শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, এভাবে উন্নয়নের ধারা চলতে থাকলে আগামী ৫৫ বছরেও চরাঞ্চলের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করা হয়েছে। সাতটি ইউনিয়নকে একত্র করে নতুন একটি উপজেলা গঠন করা হবে। সেখানে শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগসহ সব ধরনের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এখন থেকে কোনো প্রকল্পে কেউ কোনো ধরনের চাঁদা নিতে পারবেন না। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে হলেও কাজ করে যাব। চাঁদাবাজি করলে কোনো নেতাকর্মী কিংবা যতই প্রভাবশালী ব্যক্তি হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সঙ্গে ইতোমধ্যে কথা বলা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবীব, সদর উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোখলেশুর রহমান, সদর উপজেলা আমির হাফেজ আব্দুল আলিম, অ্যাডভোকেট নুরে আলম সিদ্দিকী আসাদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সোহান মাহমুদ/কেএইচকে
What's Your Reaction?