৫৬ দুস্থ-মানসিক রোগীর জন্ম নিবন্ধন পেতে ডিএনসিসির সহায়তা
ঢাকার উত্তরখানের মিশনারিস অব চ্যারিটিতে সেবাগ্রহীতা ৫৬ জন দুস্থ ও মানসিকভাবে অসুস্থ রোগীর জন্ম নিবন্ধন পেতে সহায়তা করছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এই রোগীদের দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করে এখানে আশ্রয় ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগেরই বাবা-মা কিংবা পরিবারের সদস্যদের তথ্য মেলেনি। উন্নত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় আইনি সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চ্যারিটি কর্তৃপক্ষ ৫৬ জন রোগীর জন্ম নিবন্ধন সনদের জন্য উত্তরখান, অঞ্চল-৮, ডিএনসিসি নিবন্ধন অফিসে আবেদন করে। পরবর্তীতে রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয় এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই ও রেজিস্ট্রেশনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরইমধ্যে ৩২টি জন্ম নিবন্ধন সনদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি আবেদনগুলো প্রক্রিয়াধীন। মাদার তেরেসা কর্তৃক ১৯৫০ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক মানবসেবামূলক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মিশনারিস অব চ্যারিটি বিশ্বজুড়ে দরিদ্র, অনাথ, কুষ্ঠরোগী এবং মৃত্যুপথযাত্রীদের নিঃস্বার্থ সেবা দিয়ে আসছে। মানবিক বিবেচনায় এ ধরনের সেবা কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার
ঢাকার উত্তরখানের মিশনারিস অব চ্যারিটিতে সেবাগ্রহীতা ৫৬ জন দুস্থ ও মানসিকভাবে অসুস্থ রোগীর জন্ম নিবন্ধন পেতে সহায়তা করছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এই রোগীদের দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করে এখানে আশ্রয় ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগেরই বাবা-মা কিংবা পরিবারের সদস্যদের তথ্য মেলেনি।
উন্নত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় আইনি সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চ্যারিটি কর্তৃপক্ষ ৫৬ জন রোগীর জন্ম নিবন্ধন সনদের জন্য উত্তরখান, অঞ্চল-৮, ডিএনসিসি নিবন্ধন অফিসে আবেদন করে।
পরবর্তীতে রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয় এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই ও রেজিস্ট্রেশনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরইমধ্যে ৩২টি জন্ম নিবন্ধন সনদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি আবেদনগুলো প্রক্রিয়াধীন।
মাদার তেরেসা কর্তৃক ১৯৫০ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক মানবসেবামূলক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মিশনারিস অব চ্যারিটি বিশ্বজুড়ে দরিদ্র, অনাথ, কুষ্ঠরোগী এবং মৃত্যুপথযাত্রীদের নিঃস্বার্থ সেবা দিয়ে আসছে।
মানবিক বিবেচনায় এ ধরনের সেবা কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে, যেন দুঃস্থ ও অসহায় রোগীরা স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা থেকে বঞ্চিত না হন।
এমএমএ/এএমএ
What's Your Reaction?