৫ দেশে বন্ধ হচ্ছে মার্কিন কনস্যুলেট
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পরপরই বিভিন্ন দেশে কূটনৈতিক মিশন বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছিল তার প্রশাসন। এর ধারাবাহিকতায় এবার জাপান-কানাডাসহ পাঁচটি দেশে কনস্যুলেট বন্ধ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। খবরে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে বিভিন্ন সংসদীয় কমিটির কাছে পাঠানো নোটিশে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। আরও পড়ুন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা / বাংলাদেশিদের জন্য স্থায়ী হলো ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড নাম প্রকাশ না করার শর্তে সূত্র জানিয়েছে, গত সপ্তাহের শেষের দিকে কয়েকটি সংসদীয় কমিটিকে পাঠানো এক নোটিশে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তারা গ্রেনাডার সেন্ট জর্জেস, জাপানের নাগোয়া, ইন্দোনেশিয়ার মেদান, ক্যামেরুনের ডুয়ালা এবং কানাডার উইনিপেগের কূটনৈতিক মিশনগুলো বন্ধ করার পরিকল্পনা করছে। মিশন বন্ধের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো নিশ্চিত করেনি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। তবে, কূটনৈতিক কার্যক্রমকে আরও কার্যকরভাবে পরিচা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পরপরই বিভিন্ন দেশে কূটনৈতিক মিশন বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছিল তার প্রশাসন। এর ধারাবাহিকতায় এবার জাপান-কানাডাসহ পাঁচটি দেশে কনস্যুলেট বন্ধ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
খবরে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে বিভিন্ন সংসদীয় কমিটির কাছে পাঠানো নোটিশে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সূত্র জানিয়েছে, গত সপ্তাহের শেষের দিকে কয়েকটি সংসদীয় কমিটিকে পাঠানো এক নোটিশে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তারা গ্রেনাডার সেন্ট জর্জেস, জাপানের নাগোয়া, ইন্দোনেশিয়ার মেদান, ক্যামেরুনের ডুয়ালা এবং কানাডার উইনিপেগের কূটনৈতিক মিশনগুলো বন্ধ করার পরিকল্পনা করছে।
মিশন বন্ধের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো নিশ্চিত করেনি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। তবে, কূটনৈতিক কার্যক্রমকে আরও কার্যকরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে তারা কাজ করছে এবং এ ধরনের সিদ্ধান্তে কংগ্রেসকে অবহিতসহ সব আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে তারা।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, পররাষ্ট্র দপ্তর অতিরিক্ত আমলাতান্ত্রিক হয়ে উঠেছে, যার কোনো প্রয়োজন নেই। অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো ও কার্যক্রম আরও দক্ষ করার জন্য এই সংস্কার প্রয়োজন বলে দাবি করেন তিনি।
এর আগে, গত বছরের প্রথম দিকে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর প্রায় এক ডজন বিদেশি মিশন বন্ধ করার প্রস্তুতি শুরু করেছিল। তবে হোয়াইট হাউজের অফিস অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেট ৩০টি পর্যন্ত বিদেশি মিশন বন্ধের পক্ষে মত দিয়েছিল।
প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে যুক্তি দিয়েছিলেন, কিছু ছোট বিদেশি মিশন অপরিহার্য নয় এবং ব্যয়সাশ্রয়ীও নয়। সে সময় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছিল।
মূলত, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই মার্কিন আমলাতন্ত্রে বড় ধরনের পরিবর্তনের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।
তবে, বড় ভূ-রাজনৈতিক সংকট ছাড়াই একসঙ্গে একাধিক বিদেশি মিশন বন্ধের এমন উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে বিরল বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক উপস্থিতি কমিয়ে দেওয়া এবং সহায়তা প্রদানকারী সংস্থাগুলো বন্ধ করে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক নেতৃত্বকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে যুক্তি দিয়েছিলেন ডেমোক্র্যাট এবং বেশ কয়েকজন সাবেক পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা। একই সঙ্গে চীন ও রাশিয়ার মতো প্রতিপক্ষ রাষ্ট্রগুলোকে বিশ্বজুড়ে প্রভাব বিস্তারে সুযোগ করে দেবে বলেও সতর্ক করেন তারা।
সূত্র: রয়টার্স
এমআরএইচ/কেএএ/
What's Your Reaction?

