৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে সুখবর দিলো স্পেন, পাচ্ছেন যেসব সুবিধা

স্পেনের বামপন্থি সরকার প্রায় ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধ মর্যাদা দেওয়ার একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) এক ডিক্রির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা ইউরোপের অনেক দেশের কঠোর অভিবাসন নীতির বিপরীত পথে হাঁটার ইঙ্গিত। স্পেনের অভিবাসনমন্ত্রী এলমা সাইস জানান, এই কর্মসূচির আওতায় আসা অভিবাসীরা দেশের যে কোনো জায়গায় এবং যেকোনো খাতে কাজ করতে পারবেন। তিনি বলেন, অভিবাসন দেশের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আরটিভিইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাইস বলেন, সংখ্যাটি আনুমানিক। প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের মতো হতে পারে। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমরা এমন একটি অভিবাসন মডেল শক্তিশালী করছি, যা মানবাধিকার, সমাজে অন্তর্ভুক্তি, সহাবস্থান, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক সংহতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই সিদ্ধান্তের আওতায় তারা আসবেন, যারা অন্তত পাঁচ মাস ধরে স্পেনে বসবাস করছেন এবং ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে আন্তর্জাতিক সুরক্ষার জন্য আবেদন করেছেন। আবেদনকারীদের কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড থাকতে পারবে না। পাশাপাশি, যারা এরই মধ্যে স্পেনে বসবাস করছেন—তাদের সন্তানরাও এই নিয়মের আওতায় পড়

৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে সুখবর দিলো স্পেন, পাচ্ছেন যেসব সুবিধা

স্পেনের বামপন্থি সরকার প্রায় ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধ মর্যাদা দেওয়ার একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) এক ডিক্রির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা ইউরোপের অনেক দেশের কঠোর অভিবাসন নীতির বিপরীত পথে হাঁটার ইঙ্গিত।

স্পেনের অভিবাসনমন্ত্রী এলমা সাইস জানান, এই কর্মসূচির আওতায় আসা অভিবাসীরা দেশের যে কোনো জায়গায় এবং যেকোনো খাতে কাজ করতে পারবেন। তিনি বলেন, অভিবাসন দেশের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আরটিভিইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাইস বলেন, সংখ্যাটি আনুমানিক। প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের মতো হতে পারে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমরা এমন একটি অভিবাসন মডেল শক্তিশালী করছি, যা মানবাধিকার, সমাজে অন্তর্ভুক্তি, সহাবস্থান, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক সংহতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

এই সিদ্ধান্তের আওতায় তারা আসবেন, যারা অন্তত পাঁচ মাস ধরে স্পেনে বসবাস করছেন এবং ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে আন্তর্জাতিক সুরক্ষার জন্য আবেদন করেছেন।

আবেদনকারীদের কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড থাকতে পারবে না। পাশাপাশি, যারা এরই মধ্যে স্পেনে বসবাস করছেন—তাদের সন্তানরাও এই নিয়মের আওতায় পড়বেন।

এই কর্মসূচির জন্য আবেদন নেওয়া শুরু হবে আগামী এপ্রিল মাসে এবং চলবে জুনের শেষ পর্যন্ত।

এই পরিকল্পনাটি ডিক্রির মাধ্যমে কার্যকর করা হবে, ফলে এটি পার্লামেন্টের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না। কারণ, ক্ষমতাসীন সমাজতান্ত্রিক জোটের সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই।

তবে বিরোধী রক্ষণশীল ও কট্টর ডানপন্থিরা এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, এতে অবৈধ অভিবাসন আরও বাড়বে।

প্রধান বিরোধী দল পপুলার পার্টির নেতা আলবার্তো নুনেজ ফেইহো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লেখেন, এই হাস্যকর পরিকল্পনা দেশের সরকারি সেবাব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে।

তিনি বলেন, সমাজতান্ত্রিক স্পেনে অবৈধতাকে পুরস্কৃত করা হয়। ক্ষমতায় এলে তিনি অভিবাসন নীতি পুরোপুরি পরিবর্তনের অঙ্গীকার করেন।

সূত্র: এএফপি

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow