৫ লাখ ৬৪ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াবে চসিক
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরে প্রায় ৫ লাখ ৬৪ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মেয়র বলেন, আগামী ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নগরের ৪১টি ওয়ার্ডের সাতটি ইপিআই জোনের আওতায় ১ হাজার ৩২১টি অস্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এ কর্মসূচিতে ২ হাজার ৬৫৮ জন স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করবেন। চসিক সূত্রে জানা গেছে, ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী প্রায় ৯২ হাজার শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ৪ লাখ ৭২ হাজার শিশুকে একটি করে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। সংবাদ সম্মেলনে মেয়র বলেন, নিয়মিত কেন্দ্রগুলোর পাশাপাশি বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন, লঞ্চঘাট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভ্রাম্যমাণ দলের মাধ্যমে পথশিশুদেরও ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে, যেন কোনো শিশু এই কর্মসূচির বাইরে না থাকে। তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শিশুদের অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরে প্রায় ৫ লাখ ৬৪ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
মেয়র বলেন, আগামী ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নগরের ৪১টি ওয়ার্ডের সাতটি ইপিআই জোনের আওতায় ১ হাজার ৩২১টি অস্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এ কর্মসূচিতে ২ হাজার ৬৫৮ জন স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করবেন।
চসিক সূত্রে জানা গেছে, ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী প্রায় ৯২ হাজার শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ৪ লাখ ৭২ হাজার শিশুকে একটি করে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
সংবাদ সম্মেলনে মেয়র বলেন, নিয়মিত কেন্দ্রগুলোর পাশাপাশি বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন, লঞ্চঘাট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভ্রাম্যমাণ দলের মাধ্যমে পথশিশুদেরও ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে, যেন কোনো শিশু এই কর্মসূচির বাইরে না থাকে।
তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শিশুদের অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধ এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ক্যাম্পেইন শেষে কোনো শিশু বাদ পড়লে তার অভিভাবকরা নিকটস্থ ইপিআই কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে ক্যাপসুল খাওয়ানোর সুযোগ পাবেন।
গত বছর এই কর্মসূচির আওতায় লক্ষ্যমাত্রার ৯৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ শিশু ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল পেয়েছিল বলে জানান মেয়র। এবার শতভাগ সফলতার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে চসিক।
সংবাদ সম্মেলনে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, চলতি বছর মহানগরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিক নিয়মিতভাবে বিটিআই প্রয়োগসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১০ মিনিট সময় দিয়ে বাসাবাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিক সচেতনতার বিকল্প নেই।
মেয়র জানান, নগরের ২, ৩, ১০, ১৭, ১৯ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডকে ডেঙ্গু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এছাড়া, যেসব বাড়ি বা স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাবে, সেগুলোর বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমআরএএইচ/এএমএ
What's Your Reaction?