৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় লাখো মুসল্লির জুমা আদায়

দীর্ঘ ৫ সপ্তাহেরও বেশি সময় বন্ধ রাখার পর অবশেষে মুসলিমদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলো অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) মসজিদটিতে প্রায় ১ লাখ মুসল্লি সমবেত হয়ে জুমার নামাজ আদায় করেছেন। এর আগে, গত বুধবার ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করে যে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে  আল-আকসা মসজিদ এবং চার্চ অব দ্য হোলি সেপুলকার জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আরোপিত বিধিনিষেধের কারণে দীর্ঘ ৪০ দিন এই পবিত্র স্থানগুলোতে প্রবেশাধিকার বন্ধ ছিল। শুক্রবার ভোরের আলো ফোটার আগেই আল-আকসা প্রাঙ্গণে মুসল্লিদের ঢল নামে। এদিন জুমার খুতবা প্রদান করেন আল-আকসার খতিব শায়খ মোহাম্মদ সেলিম। তিনি মুসল্লিদের আল্লাহর হুকুম পালনে অবিচল থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হওয়া গোটা জাতির জন্য ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনতে পারে। এ সময় তিনি মুসল্লিদের প্রতি জেরুজালেমের পুরোনো শহরের স্থানীয় দোকানপাট থেকে কেনাকাটা করার বিশেষ অনুরোধ জানান। শায়খ মোহাম্মদ সেলিম বলেন, দীর্ঘ অবরোধের কারণে এই শহরের ব্যবসায়ীরা চরম অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ

৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় লাখো মুসল্লির জুমা আদায়

দীর্ঘ ৫ সপ্তাহেরও বেশি সময় বন্ধ রাখার পর অবশেষে মুসলিমদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলো অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) মসজিদটিতে প্রায় ১ লাখ মুসল্লি সমবেত হয়ে জুমার নামাজ আদায় করেছেন।

এর আগে, গত বুধবার ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করে যে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে  আল-আকসা মসজিদ এবং চার্চ অব দ্য হোলি সেপুলকার জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আরোপিত বিধিনিষেধের কারণে দীর্ঘ ৪০ দিন এই পবিত্র স্থানগুলোতে প্রবেশাধিকার বন্ধ ছিল।

শুক্রবার ভোরের আলো ফোটার আগেই আল-আকসা প্রাঙ্গণে মুসল্লিদের ঢল নামে।

এদিন জুমার খুতবা প্রদান করেন আল-আকসার খতিব শায়খ মোহাম্মদ সেলিম। তিনি মুসল্লিদের আল্লাহর হুকুম পালনে অবিচল থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হওয়া গোটা জাতির জন্য ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনতে পারে।

এ সময় তিনি মুসল্লিদের প্রতি জেরুজালেমের পুরোনো শহরের স্থানীয় দোকানপাট থেকে কেনাকাটা করার বিশেষ অনুরোধ জানান। শায়খ মোহাম্মদ সেলিম বলেন, দীর্ঘ অবরোধের কারণে এই শহরের ব্যবসায়ীরা চরম অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের পাশে দাঁড়ানো ধর্মীয় ও মানবিক দায়িত্ব।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা অজুহাতে এই ধর্মীয় স্থাপনা দুটি বন্ধ করে দেয়। এর ফলে টানা পাঁচ সপ্তাহ অর্থাৎ ৬, ১৩, ২০ ও ২৭ মার্চ এবং ৩ এপ্রিল ফিলিস্তিনি মুসলিমরা সেখানে কোনো জুমার নামাজ আদায় করতে পারেননি। অবশেষে ১০ এপ্রিল, ষষ্ঠ জুমায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেলেন তারা।

সূত্র : আল জাজিরা ও আনাদোলু এজেন্সি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow