৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তির রোডম্যাপে একমত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

সুইজারল্যান্ডে উচ্চপর্যায়ের আলোচনার প্রথম দিনেই গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান ও কাতার। দুই দেশ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য একটি রোডম্যাপে একমত হয়েছে। খবর আলজাজিরার। রোববার সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশ একটি "ডি-কনফ্লিকশন সেল" গঠনেও সম্মত হয়েছে। এর মাধ্যমে লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধ রাখা এবং যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার বিষয়টি তদারকি করা হবে। পাকিস্তান ও কাতারের কর্মকর্তারা বলেছেন, আলোচনার পরিবেশ ইতিবাচক ছিল এবং উভয় পক্ষই কূটনৈতিক সমাধানের পথে এগিয়ে যেতে আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে আলোচনার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইরান যদি লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে সমর্থন অব্যাহত রাখে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে। ট্রাম্পের এ বক্তব্যের জবাবে ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত তাদের বক্তব্যে আরও সতর্ক হওয়া। তিনি বলেন, হুমকি দিয়ে ইরানকে চাপে ফেলা যাবে না। অন্যদিকে, ইসরা

৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তির রোডম্যাপে একমত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

সুইজারল্যান্ডে উচ্চপর্যায়ের আলোচনার প্রথম দিনেই গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান ও কাতার। দুই দেশ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য একটি রোডম্যাপে একমত হয়েছে। খবর আলজাজিরার।

রোববার সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশ একটি "ডি-কনফ্লিকশন সেল" গঠনেও সম্মত হয়েছে। এর মাধ্যমে লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধ রাখা এবং যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার বিষয়টি তদারকি করা হবে।

পাকিস্তান ও কাতারের কর্মকর্তারা বলেছেন, আলোচনার পরিবেশ ইতিবাচক ছিল এবং উভয় পক্ষই কূটনৈতিক সমাধানের পথে এগিয়ে যেতে আগ্রহ দেখিয়েছে।

তবে আলোচনার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইরান যদি লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে সমর্থন অব্যাহত রাখে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে।

ট্রাম্পের এ বক্তব্যের জবাবে ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত তাদের বক্তব্যে আরও সতর্ক হওয়া। তিনি বলেন, হুমকি দিয়ে ইরানকে চাপে ফেলা যাবে না।

অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জানিয়েছেন, দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে না। নিরাপত্তার স্বার্থে যতদিন প্রয়োজন, ততদিন সেখানে সেনা মোতায়েন থাকবে।

এদিকে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের যেকোনো চেষ্টা তারা প্রতিহত করবে এবং লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার নিশ্চিত করতে তারা তাদের অবস্থানে অটল থাকবে।

সূত্র: আলজাজিরা
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow