৬২টি শট নিয়ে একটি গোলও করতে না পারায় লজ্জিত আর্দা গুলের

বিশ্বকাপ শুরু হলো মাত্র ৯ দিন হলো। এর মধ্যে একে একে বিদায় নিতে শুরু করেছে প্রতিযোগী দলগুলো। ব্রাজিলের বিপক্ষে হাইতির হার তাদেরকে ১ম দল হিসেবে বিদায়ের স্বাদ দিয়েছে। এবার দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল তুরস্ক। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে তারা ১-০ গোলের ব্যবধানে হেরে এবারের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল। আর দলের এমন বিদায়ে নিজেকে লজ্জিত মনে করছেন তুর্কির সবচেয়ে বড় তারকা রিয়াল মাদ্রিদে খেলা ফুটবলার আর্দা গুলের। ম্যাচ শেষে এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এই ফুটবলার বলেন, ‘আমার আসলে বেশি কিছু বলার নেই। আমরা খুব দুঃখিত এবং লজ্জিত। আমাদের দেশের সকলের কাছে আমরা ক্ষমা চাচ্ছি। আমরা ভবিষ্যৎ টুর্নামেন্টে ভালো করার চেষ্টা করবো। আমিও চেষ্টা করবো নিজের সেরাটা দিয়ে এই টুর্নামেন্টের ক্ষত ভুলিয়ে দিতে। আমরা সবাই বড় ক্লাবে খেলে থাকি, আমাদের এমনটা করা উচিত হয়নি। আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।’ তুরস্ক যে দুটি ম্যাচই খারাপ খেলেছে এমনটা নয়। প্রথম ম্যাচে তারা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে হারলেও পুরো ম্যাচে ৬৩% বল নিজেদের দখলে রেখেছিল এবং গোলের জন্য ২৮টি শট নিয়েছিল। যদিও অন টার্গেট শট ছিল মাত্র ৭টি। আর্দা গুলের বলেন, ‘দলের সবার সঙ

৬২টি শট নিয়ে একটি গোলও করতে না পারায় লজ্জিত আর্দা গুলের

বিশ্বকাপ শুরু হলো মাত্র ৯ দিন হলো। এর মধ্যে একে একে বিদায় নিতে শুরু করেছে প্রতিযোগী দলগুলো। ব্রাজিলের বিপক্ষে হাইতির হার তাদেরকে ১ম দল হিসেবে বিদায়ের স্বাদ দিয়েছে। এবার দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল তুরস্ক। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে তারা ১-০ গোলের ব্যবধানে হেরে এবারের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল। আর দলের এমন বিদায়ে নিজেকে লজ্জিত মনে করছেন তুর্কির সবচেয়ে বড় তারকা রিয়াল মাদ্রিদে খেলা ফুটবলার আর্দা গুলের।

ম্যাচ শেষে এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এই ফুটবলার বলেন, ‘আমার আসলে বেশি কিছু বলার নেই। আমরা খুব দুঃখিত এবং লজ্জিত। আমাদের দেশের সকলের কাছে আমরা ক্ষমা চাচ্ছি। আমরা ভবিষ্যৎ টুর্নামেন্টে ভালো করার চেষ্টা করবো। আমিও চেষ্টা করবো নিজের সেরাটা দিয়ে এই টুর্নামেন্টের ক্ষত ভুলিয়ে দিতে। আমরা সবাই বড় ক্লাবে খেলে থাকি, আমাদের এমনটা করা উচিত হয়নি। আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।’

তুরস্ক যে দুটি ম্যাচই খারাপ খেলেছে এমনটা নয়। প্রথম ম্যাচে তারা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে হারলেও পুরো ম্যাচে ৬৩% বল নিজেদের দখলে রেখেছিল এবং গোলের জন্য ২৮টি শট নিয়েছিল। যদিও অন টার্গেট শট ছিল মাত্র ৭টি।

আর্দা গুলের বলেন, ‘দলের সবার সঙ্গে আমাদের ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে। কিন্তু মাঠে যেটা করা দরকার সেটাই শুধু আমরা করতে পারিনি। গোল করতে পারিনি। আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।’

দ্বিতীয় ম্যাচে ৬৪ সেকেন্ডের মাথায় গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েও প্যারাগুয়ের এক ফুটবলার লাল কার্ড পাওয়ার ফায়দা তারা তুলতে পারেনি। ম্যাচের পুরো দ্বিতীয়ার্ধ দশ জন নিয়ে খেলা প্যারাগুয়ের বিপক্ষে তারা গোল করতে পারেনি। দ্বিতীয় ম্যাচে লাতিন দলটির বিপক্ষে তারা ৩৪টি শট নিয়েছিল যার মধ্যে মাত্র ৬টিই ছিল অন টার্গেট। বল নিজেদের দখলে রেখেছিল ৭৮% কিন্তু কাজের কাজটাই তারা করতে পারেনি।

আরআর/আইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow