৬ দশকের পুরোনো ঈদগাহ দখলে নিলেন প্রভাবশালী
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ৬ দশকের পুরোনো ঈদগাহ দখলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৯ জুলাই) গভীর রাতে উপজেলার দেশিগ্রাম ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর দেওড়া গ্রামের মো. জিয়াউল হকের ছেলে। সোমবার (২০ জুলাই) ঈদগাহ মাঠটি দখলমুক্ত করার দাবিতে স্থানীয় ইউপি দেওড়া ঈদগাহ কমিটি সদস্য মো. জাহাঙ্গীর আলম তাড়াশ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় ৬১ বছর আগে দেওড়া গ্রামের পাকা সড়কের পাশে ৭ শতাংশ জমির ওপর ঈদগাহ মাঠ প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই ঈদগাহ মাঠে বংশ পরম্পরায় প্রতি বছর দুটি ঈদের নামাজও আদায় করে আসছে গ্রামবাসী। চলতি বছর ঈদের নামাজ আদায়ের পাশাপাশি দেওড়া গ্রাম ঈদগাহ মাঠ কমিটির পক্ষে সরকারি ওই জায়গার লিজ নবায়নও করা হয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি একই গ্রামের প্রভাবশালী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ঈদগাহ মাঠের জায়গাটি নিজের দাবী করে গ্রামবাসীর সঙ্গে বিরোধে সৃষ্টি করেন। তিনি রোববার রাতে সদলবলে ঈদ মাঠের পুরোনো ইটের প্রাচীর ভেঙ্গে জোড়পূর্বক জায়গাটি দখলে নেন। একই সঙ্গে মাঠের ৭ শতক জায়গা টিনের বেড়া দিয়ে ঘিরে
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ৬ দশকের পুরোনো ঈদগাহ দখলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৯ জুলাই) গভীর রাতে উপজেলার দেশিগ্রাম ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর দেওড়া গ্রামের মো. জিয়াউল হকের ছেলে।
সোমবার (২০ জুলাই) ঈদগাহ মাঠটি দখলমুক্ত করার দাবিতে স্থানীয় ইউপি দেওড়া ঈদগাহ কমিটি সদস্য মো. জাহাঙ্গীর আলম তাড়াশ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় ৬১ বছর আগে দেওড়া গ্রামের পাকা সড়কের পাশে ৭ শতাংশ জমির ওপর ঈদগাহ মাঠ প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই ঈদগাহ মাঠে বংশ পরম্পরায় প্রতি বছর দুটি ঈদের নামাজও আদায় করে আসছে গ্রামবাসী। চলতি বছর ঈদের নামাজ আদায়ের পাশাপাশি দেওড়া গ্রাম ঈদগাহ মাঠ কমিটির পক্ষে সরকারি ওই জায়গার লিজ নবায়নও করা হয়েছে।
কিন্তু সম্প্রতি একই গ্রামের প্রভাবশালী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ঈদগাহ মাঠের জায়গাটি নিজের দাবী করে গ্রামবাসীর সঙ্গে বিরোধে সৃষ্টি করেন। তিনি রোববার রাতে সদলবলে ঈদ মাঠের পুরোনো ইটের প্রাচীর ভেঙ্গে জোড়পূর্বক জায়গাটি দখলে নেন। একই সঙ্গে মাঠের ৭ শতক জায়গা টিনের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সকালে হঠাৎ করে গ্রামবাসী ঈদ মাঠের চারদিকে টিনের বেড়া দেখে নিশ্চিত হন যে, পুরোনো ঈদগাহ মাঠটি দখল হয়ে গেছে। তখন গ্রামবাসী জরুরি সেবা নম্বরে ৯৯৯ কল করেন। কিন্তু প্রশাসনের কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিকার পেতে সোমবার বিকেলে তাড়াশ সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘জায়গাটি আমাদের পৈতিৃক সম্পত্তি। এতদিন গ্রামবাসীর বাধায় দখল নিতে পারিনি। এখন সময় হয়েছে তাই আমি জায়গাটির দখল বুঝে নিয়েছি।’
দেওড়া ঈদগাহ কমিটি সদস্য আলম জাহাঙ্গীর বলেন, ঈদগাহের জায়গাটি মূলত সরকারি সম্পত্তি। যা আমরা আইন মোতাবেক ঈদ মাঠ হিসেবে লিজ নিয়ে বহু বছর ধরে দুটি ঈদের নামাজ পড়ে আসছি। কিন্তু সম্প্রতি দখলদার জায়গাটি ভূয়া কাগজপত্র তৈরি করে তা দখল করে নিয়েছে। এটা অন্যায়।
তাড়াশ সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ জে এম নাহিদ হোসেন লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিষয়টি প্রাথমিক তদন্তের জন্য দেশিগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
What's Your Reaction?