৬ বাংলাদেশির মালয়েশিয়া প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশনের শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় ৬ বাংলাদেশিসহ ৯ প্রবাসীকে কালো তালিকাভুক্ত করে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। অতিরিক্ত সময় দেশটিতে অবস্থান করায় তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইমিগ্রেশন বিভাগের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার নাসারুদ্দিন এম নাসির এক বিবৃতিতে জানান, প্রত্যাখ্যাত ছয় বাংলাদেশির মধ্যে একজন পুরুষ ও পাঁচজন নারী। স্থলপথে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের অনুমতি না থাকায় তাদের কালো তালিকাভুক্ত করে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, একজন তাইওয়ানের নাগরিক ও একজন ভারতীয় নাগরিককে প্রকৃত ভ্রমণকারী নন বলে সন্দেহ করা হয়। তারা কেবল সামাজিক ভ্রমণ পাস (সোশ্যাল ভিজিট পাস) ব্যবহার করে অনুমোদিত সময়ের চেয়ে বেশি দিন অবস্থানের চেষ্টা করছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে, হংকংয়ের এক নারী নাগরিকের নাম সংশ্লিষ্ট বিভাগের সন্দেহভাজন তালিকায় থাকায় তাকেও মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। মোহদ নাসারুদ্দিন বলেন, ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ অনুযায়ী এসব বিদেশি নাগরিককে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট সবাইকে থাইল্যান্ড হয়ে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং এ অভ

৬ বাংলাদেশির মালয়েশিয়া প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশনের শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় ৬ বাংলাদেশিসহ ৯ প্রবাসীকে কালো তালিকাভুক্ত করে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। অতিরিক্ত সময় দেশটিতে অবস্থান করায় তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইমিগ্রেশন বিভাগের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার নাসারুদ্দিন এম নাসির এক বিবৃতিতে জানান, প্রত্যাখ্যাত ছয় বাংলাদেশির মধ্যে একজন পুরুষ ও পাঁচজন নারী। স্থলপথে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের অনুমতি না থাকায় তাদের কালো তালিকাভুক্ত করে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, একজন তাইওয়ানের নাগরিক ও একজন ভারতীয় নাগরিককে প্রকৃত ভ্রমণকারী নন বলে সন্দেহ করা হয়। তারা কেবল সামাজিক ভ্রমণ পাস (সোশ্যাল ভিজিট পাস) ব্যবহার করে অনুমোদিত সময়ের চেয়ে বেশি দিন অবস্থানের চেষ্টা করছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, হংকংয়ের এক নারী নাগরিকের নাম সংশ্লিষ্ট বিভাগের সন্দেহভাজন তালিকায় থাকায় তাকেও মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

মোহদ নাসারুদ্দিন বলেন, ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ অনুযায়ী এসব বিদেশি নাগরিককে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট সবাইকে থাইল্যান্ড হয়ে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং এ অভিযানে কোনো ধরনের জব্দকৃত মালামাল পাওয়া যায়নি।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার রাখতে এবং কোনো পক্ষ যেন প্রবেশপথের অপব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা সর্বদা কঠোর অবস্থানে থাকবে।

এমআরএম/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow