‘৬ মাসের দুর্নীতি পাপনের ১৫ বছরকেও হার মানিয়েছে’
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) দুর্নীতি নিয়ে এবার বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন বোর্ড পরিচালক আদনান রহমান দীপন। তিনি দাবি করেছেন, সদ্যসমাপ্ত অন্তর্বর্তীকালীন বোর্ডের মাত্র ছয় মাসের দুর্নীতি সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের টানা ১৫ বছরের শাসনামলের দুর্নীতিকেও হার মানিয়েছে। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে দীপন বলেন, গত বছরের মে মাস থেকে অক্টোবরের বিসিবি নির্বাচন পর্যন্ত সময়কালের দুর্নীতির পরিমাণ ভয়াবহ। তার ভাষায়, “পাপনের ১৫ বছরের রাজত্বে যা হয়নি, তা হয়েছে শেষ কমিটির আগের ছয় মাসে। আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, গত পাঁচ-ছয় মাসে যে পরিমাণ দুর্নীতি হয়েছে, তা ১৫ বছরের কাছাকাছি।” দীপন জানান, বর্তমানে বিসিবিতে পূর্ণগতিতে তদন্ত চলছে এবং সেই তদন্তে ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট অনেক পরিচিত মুখের নাম উঠে আসতে পারে। তিনি বলেন, “বোর্ডে না ঢুকলে অনেক বিষয়ই আমাদের ধারণার বাইরে ছিল। ডকুমেন্ট, কাগজপত্র ও হিসাবপত্রে যা দেখছি, তা এক কথায় অবিশ্বাস্য।” তিনি আরও জানান, তদন্তের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিসিবির ভেতরের লোকজনের পাশাপাশি বাইরের সংস্থাকেও যুক্ত করা হয়েছে। “আমরা সিআইডি ও ল ডিপার্টমেন্টকে ইনভলভ করছ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) দুর্নীতি নিয়ে এবার বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন বোর্ড পরিচালক আদনান রহমান দীপন। তিনি দাবি করেছেন, সদ্যসমাপ্ত অন্তর্বর্তীকালীন বোর্ডের মাত্র ছয় মাসের দুর্নীতি সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের টানা ১৫ বছরের শাসনামলের দুর্নীতিকেও হার মানিয়েছে।
একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে দীপন বলেন, গত বছরের মে মাস থেকে অক্টোবরের বিসিবি নির্বাচন পর্যন্ত সময়কালের দুর্নীতির পরিমাণ ভয়াবহ। তার ভাষায়, “পাপনের ১৫ বছরের রাজত্বে যা হয়নি, তা হয়েছে শেষ কমিটির আগের ছয় মাসে। আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, গত পাঁচ-ছয় মাসে যে পরিমাণ দুর্নীতি হয়েছে, তা ১৫ বছরের কাছাকাছি।”
দীপন জানান, বর্তমানে বিসিবিতে পূর্ণগতিতে তদন্ত চলছে এবং সেই তদন্তে ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট অনেক পরিচিত মুখের নাম উঠে আসতে পারে। তিনি বলেন, “বোর্ডে না ঢুকলে অনেক বিষয়ই আমাদের ধারণার বাইরে ছিল। ডকুমেন্ট, কাগজপত্র ও হিসাবপত্রে যা দেখছি, তা এক কথায় অবিশ্বাস্য।”
তিনি আরও জানান, তদন্তের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিসিবির ভেতরের লোকজনের পাশাপাশি বাইরের সংস্থাকেও যুক্ত করা হয়েছে। “আমরা সিআইডি ও ল ডিপার্টমেন্টকে ইনভলভ করছি, যেন নিরপেক্ষভাবে সবকিছু বেরিয়ে আসে,” বলেন দীপন।
উল্লেখ্য, গত এপ্রিল মাসে বিসিবি কার্যালয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযান দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। অনেকেই এ ঘটনাকে দেশের ক্রিকেটের জন্য লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেন।
তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রকৃত লজ্জা তাদেরই, যারা ক্রিকেট উন্নয়নের নামে দেশের ক্রিকেটকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন। নতুন বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বে বিসিবির সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো বোর্ডের ভেতরে থাকা দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করা।
তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা—সেদিকেই এখন তাকিয়ে দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা। প্রশ্ন একটাই, বিসিবির ভেতরের এই দুর্নীতির মুখোশ কি সত্যিই খুলতে পারবেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল?
What's Your Reaction?