৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

ফেনীর পরশুরামে চিপস কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী এক কিশোরের বিরুদ্ধে। ঘটনার চার দিন পর অসুস্থ হয়ে পড়লে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের মালিপাথর গ্রামে গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে ঘটে। অভিযুক্ত রিমন ওই গ্রামের মীর আহাম্মদের ছেলে এবং স্থানীয় শালধর ফাজিল মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগী শিশু স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। শিশুটির মা অভিযোগ করেন, চিপস কিনে দেওয়ার কথা বলে রিমন তার মেয়েকে বাড়ির পাশের একটি বাগানে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এর আগেও একই কিশোর তার মেয়ের সঙ্গে এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। বিষয়টি অভিযুক্তের পরিবারকে জানানো হলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। সোমবার (৬ জুলাই) সকালে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। পরে পরশুরাম থানা পুলিশের সহযোগিতায় শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়

৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
ফেনীর পরশুরামে চিপস কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী এক কিশোরের বিরুদ্ধে। ঘটনার চার দিন পর অসুস্থ হয়ে পড়লে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের মালিপাথর গ্রামে গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে ঘটে। অভিযুক্ত রিমন ওই গ্রামের মীর আহাম্মদের ছেলে এবং স্থানীয় শালধর ফাজিল মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগী শিশু স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। শিশুটির মা অভিযোগ করেন, চিপস কিনে দেওয়ার কথা বলে রিমন তার মেয়েকে বাড়ির পাশের একটি বাগানে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এর আগেও একই কিশোর তার মেয়ের সঙ্গে এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। বিষয়টি অভিযুক্তের পরিবারকে জানানো হলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। সোমবার (৬ জুলাই) সকালে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। পরে পরশুরাম থানা পুলিশের সহযোগিতায় শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. এমদাদুল হক বলেন, মেডিকেল টিম শিশুটির প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে। যেহেতু ঘটনাটি কয়েক দিন আগের, তাই মেডিকেল রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের পর শিশুটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow