৯৪ বার পেছালো তদন্ত প্রতিবেদন জমা, পরবর্তী শুনানি ১৮ মে

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির বহুল আলোচিত মামলায় আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা ৯৪ বারের মতো পিছিয়েছে। মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৮ মে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঢাকার মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। আজ নির্ধারিত দিনে তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত নতুন দিন ঠিক করে দেন। সংশ্লিষ্ট আদালত ও ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি হয়। হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সুইফট পেমেন্ট ব্যবস্থায় ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে সংরক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে এ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনার ৩৯ দিন পর বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে রাজধানীর মতিঝিল থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়। শুরু থেকেই মামলার তদন্তভার সিআইডির ওপর ন্যস্ত রয়েছে। সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, চুরি হওয়া অর্থের একটি অংশ এরই মধ্যে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ঘটনার পর শ্রীলঙ্কা থেকে ফেরত

৯৪ বার পেছালো তদন্ত প্রতিবেদন জমা, পরবর্তী শুনানি ১৮ মে

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির বহুল আলোচিত মামলায় আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা ৯৪ বারের মতো পিছিয়েছে। মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৮ মে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঢাকার মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। আজ নির্ধারিত দিনে তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত নতুন দিন ঠিক করে দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালত ও ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি হয়। হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সুইফট পেমেন্ট ব্যবস্থায় ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে সংরক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে এ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়।

ঘটনার ৩৯ দিন পর বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে রাজধানীর মতিঝিল থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়। শুরু থেকেই মামলার তদন্তভার সিআইডির ওপর ন্যস্ত রয়েছে।

সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, চুরি হওয়া অর্থের একটি অংশ এরই মধ্যে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ঘটনার পর শ্রীলঙ্কা থেকে ফেরত এসেছে ২ কোটি ডলার। ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি) থেকে পাওয়া গেছে ৬৮ হাজার ডলার। এছাড়া অন্যান্য উদ্যোগে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার উদ্ধার করা হয়েছে।

এছাড়া আরসিবিসিতে থাকা ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার বাজেয়াপ্ত করে দেশে ফেরত আনার বিষয়ে সম্প্রতি ঢাকার একটি আদালত আদেশ দিয়েছেন।

এমডিএএ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow