৯৬ বছরের ‘অবিশ্বাস্য’ রেকর্ড ছুঁলেন মেসি
মিশরের বিপক্ষে গোল করে আবারও দলের ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন লিওনেল মেসি। আর এই গোল করার পর আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে আরও একটি রেকর্ড ভাঙা থেকে মাত্র এক গোল দূরে অবস্থান করছেন এলএম টেন।
শেষ ষোলোর ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানে জয়ের দিনে এই আসরে নিজের অষ্টম গোলটি করেন লিওনেল মেসি। এর মাধ্যমে তিনি ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা আর্জেন্টিনার সাবেক তারকা গিয়ের্মো স্তাবিলের রীতিমতো অবিশ্বাস্য কীর্তি ছুঁয়ে ফেললেন।
মেসি একমাত্র খেলোয়াড় যিনি বিশ্বকাপের এই আসরের প্রতিটি ম্যাচেই গোল করেছেন। ইতিমধ্যে আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া, জর্ডান, কেপ ভার্দে এবং মিসর তার গোলশিকারের তালিকায় যুক্ত হয়েছে। অন্যদিকে, এ বছর সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে থাকা কিলিয়ান এমবাপে, আর্লিং হলান্ড এবং হ্যারি কেইন অন্তত একটি ম্যাচে গোল করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজের রেকর্ডকে আরও সমৃদ্ধ করে চলেছেন মেসি। মিসরের বিপক্ষে আজ গোল করার পর এই আর্জেন্টাইন তারকার বিশ্বকাপে মোট গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১-এ। তাই এককভাবে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি।
চলতি আসরে এই আর্জেন্টাইনের
মিশরের বিপক্ষে গোল করে আবারও দলের ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন লিওনেল মেসি। আর এই গোল করার পর আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে আরও একটি রেকর্ড ভাঙা থেকে মাত্র এক গোল দূরে অবস্থান করছেন এলএম টেন।
শেষ ষোলোর ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানে জয়ের দিনে এই আসরে নিজের অষ্টম গোলটি করেন লিওনেল মেসি। এর মাধ্যমে তিনি ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা আর্জেন্টিনার সাবেক তারকা গিয়ের্মো স্তাবিলের রীতিমতো অবিশ্বাস্য কীর্তি ছুঁয়ে ফেললেন।
মেসি একমাত্র খেলোয়াড় যিনি বিশ্বকাপের এই আসরের প্রতিটি ম্যাচেই গোল করেছেন। ইতিমধ্যে আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া, জর্ডান, কেপ ভার্দে এবং মিসর তার গোলশিকারের তালিকায় যুক্ত হয়েছে। অন্যদিকে, এ বছর সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে থাকা কিলিয়ান এমবাপে, আর্লিং হলান্ড এবং হ্যারি কেইন অন্তত একটি ম্যাচে গোল করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজের রেকর্ডকে আরও সমৃদ্ধ করে চলেছেন মেসি। মিসরের বিপক্ষে আজ গোল করার পর এই আর্জেন্টাইন তারকার বিশ্বকাপে মোট গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১-এ। তাই এককভাবে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি।
চলতি আসরে এই আর্জেন্টাইনের গোল আটটি। এবং সাতটি গোল নিয়ে তাঁর ঠিক পেছনেই আছেন এমবাপে ও হলান্ড। কেইন এখন পর্যন্ত ছয়টি গোল করে এই দৌড়ে কিছুটা পিছিয়ে আছেন। তাদের সবার দলই কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে এবং টুর্নামেন্টে প্রত্যেকেরই অন্তত আরও একটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ রয়েছে।