অকালে প্রাণ ঝরল নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীর

দীর্ঘদিন মরণব্যাধি ক্রোনস ডিজিজ ও হিস্টোপ্লাজমোসিস রোগের সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) আইন বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (১৮ মে) দুপুর ২টা ২৭ মিনিটে বাংলাদেশ ক্রিটিক্যাল কেয়ার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় মারা যান তিনি। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।  মৃত্যুর আগে তিনি প্রায় দীর্ঘ ২ মাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সাখাওয়াতের গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলায়। তিনি নোবিপ্রবির আইন বিভাগের প্রথম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪তম ব্যাচের (২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি সদ্যই তার এলএলবি এবং এলএলএম সম্পন্ন করেছিলেন। সহপাঠীরা জানান, সাখাওয়াত দীর্ঘ দিন ধরে পাকস্থলির বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকরা তার শরীরে ‘ক্রোনস ডিজিজ’ ও ‘হিস্টোপ্লাজমোসিস’ নামক দুটি জটিল ও বিরল রোগ শনাক্ত করেন। দীর্ঘ দুই মাস ধরে নিবিড় চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ দুপুরে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।  আইন বিভাগের সদ্য পাস করা এই শিক্ষার্থীর এমন অকাল ও আকস্মিক মৃত্যুতে নোবিপ্রবির আইন

অকালে প্রাণ ঝরল নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীর

দীর্ঘদিন মরণব্যাধি ক্রোনস ডিজিজ ও হিস্টোপ্লাজমোসিস রোগের সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) আইন বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী মো. সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (১৮ মে) দুপুর ২টা ২৭ মিনিটে বাংলাদেশ ক্রিটিক্যাল কেয়ার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় মারা যান তিনি। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। 

মৃত্যুর আগে তিনি প্রায় দীর্ঘ ২ মাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সাখাওয়াতের গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলায়। তিনি নোবিপ্রবির আইন বিভাগের প্রথম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪তম ব্যাচের (২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি সদ্যই তার এলএলবি এবং এলএলএম সম্পন্ন করেছিলেন।

সহপাঠীরা জানান, সাখাওয়াত দীর্ঘ দিন ধরে পাকস্থলির বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকরা তার শরীরে ‘ক্রোনস ডিজিজ’ ও ‘হিস্টোপ্লাজমোসিস’ নামক দুটি জটিল ও বিরল রোগ শনাক্ত করেন। দীর্ঘ দুই মাস ধরে নিবিড় চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ দুপুরে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

আইন বিভাগের সদ্য পাস করা এই শিক্ষার্থীর এমন অকাল ও আকস্মিক মৃত্যুতে নোবিপ্রবির আইন বিভাগসহ পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার সহপাঠী, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা গভীর শোক প্রকাশ করছেন। 

শিক্ষার্থীরা জানান, ক্যাম্পাস মাতানো, সদা হাস্যোজ্জ্বল সাখাওয়াত ভাইয়ের এমন চলে যাওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জীবন নিয়ে যার চোখে ছিল অজস্র স্বপ্ন, সেই স্বপ্নগুলো আজ এক নিমেষেই থমকে গেল। 

পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মরহুমের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। সাখাওয়াতের পরিবার ও সহপাঠীরা তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন এবং এই কঠিন সময়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow