অচল কার্গো ট্রলি, লেকে নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার বাঁশ
রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে টানা ১৮ দিন ধরে কার্গো ট্রলি বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন হাজারো শ্রমিক, মাঝি ও ব্যবসায়ী। পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকায় লেকে পড়ে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে কয়েক কোটি টাকার বাঁশসহ বিভিন্ন কাঁচামাল। এতে সংশ্লিষ্টদের আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে মানবেতর জীবনযাপনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
প্রায় ৬০ বছরের পুরোনো এই কার্গো ট্রলি কাপ্তাই অঞ্চলের মানুষের জন্য একমাত্র বিকল্প নৌপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রতিদিন শত শত দিনমজুর এই কার্গো পারাপারের সঙ্গে জড়িত থেকে জীবিকা নির্বাহ করেন। তবে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত ১৮ দিন ধরে ট্রলিটি বন্ধ থাকায় পুরো ব্যবস্থাই স্থবির হয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) কাপ্তাই নতুন বাজার কার্গো এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কার্গো ট্রলিটি বন্ধ পড়ে আছে। পাশে বসে আছেন শ্রমিক, দিনমজুর ও ব্যবসায়ীরা। আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।
স্থানীয় বাঁশ ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন ময়ুর ও মিজানুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন ধরেই কার্গো ট্রলিটি ত্রুটিপূর্ণ অবস্থায় চলছে। গত ৫ আগস্টের আগে ভারতের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে মেরামতের দায়িত্ব দেওয়া হলেও তারা কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই চ
রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে টানা ১৮ দিন ধরে কার্গো ট্রলি বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন হাজারো শ্রমিক, মাঝি ও ব্যবসায়ী। পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকায় লেকে পড়ে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে কয়েক কোটি টাকার বাঁশসহ বিভিন্ন কাঁচামাল। এতে সংশ্লিষ্টদের আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে মানবেতর জীবনযাপনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
প্রায় ৬০ বছরের পুরোনো এই কার্গো ট্রলি কাপ্তাই অঞ্চলের মানুষের জন্য একমাত্র বিকল্প নৌপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রতিদিন শত শত দিনমজুর এই কার্গো পারাপারের সঙ্গে জড়িত থেকে জীবিকা নির্বাহ করেন। তবে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত ১৮ দিন ধরে ট্রলিটি বন্ধ থাকায় পুরো ব্যবস্থাই স্থবির হয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) কাপ্তাই নতুন বাজার কার্গো এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কার্গো ট্রলিটি বন্ধ পড়ে আছে। পাশে বসে আছেন শ্রমিক, দিনমজুর ও ব্যবসায়ীরা। আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।
স্থানীয় বাঁশ ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন ময়ুর ও মিজানুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন ধরেই কার্গো ট্রলিটি ত্রুটিপূর্ণ অবস্থায় চলছে। গত ৫ আগস্টের আগে ভারতের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে মেরামতের দায়িত্ব দেওয়া হলেও তারা কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই চলে যায়। পরবর্তীতে পিডিবি নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কোনোভাবে ট্রলিটি সচল রাখলেও সম্প্রতি সেটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
তারা আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করা বিপুল পরিমাণ বাঁশ ও কাঁচামাল কার্গো দিয়ে পারাপার করতে না পারায় লেকে পড়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং অনেকেই পথে বসার আশঙ্কা করছেন।
কাঁচামাল ব্যবসায়ী মো. মহিউদ্দিন বলেন, কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের পর থেকেই এই কার্গো প্রণালি বিকল্প নৌপথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু বারবার ত্রুটির কারণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত সমাধান না হলে মানববন্ধন ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
কার্গো পারাপারে নিয়োজিত শ্রমিক মো. ইউনূচ ও আয়ুব আলীসহ কয়েকজন জানান, টানা ১৮ দিন আয় বন্ধ থাকায় তারা পরিবার নিয়ে চরম সংকটে পড়েছেন। এ অবস্থা দীর্ঘায়িত হলে অনেকেই বেকার হয়ে পড়বেন এবং অনেকে অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে কাপ্তাই কার্গো ট্রলির দায়িত্বপ্রাপ্ত পিডিবির সহকারী প্রকৌশলী কামরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন।
তবে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহামুদ হাসান জানান, কার্গো ট্রলিটি সচল থাকলেও বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্যাবলে ত্রুটি দেখা দিয়েছে। নতুন ক্যাবল সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।