অনন্য হ্যাটট্রিক রেকর্ডের কাছে ভিনিসিয়ুস, গড়লেন অসাধারণ কীর্তি
ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) যেন পুরো আমেজটাই নষ্ট করে দিল! নয়তো বৃহস্পতিবার ভোরে মায়ামির মাঠে ইতিহাসের পাতায় যুক্ত হতে পারত নতুন এক অধ্যায়। যে ইতিহাস ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে থমকে আছে ১৯৫৮ সালের পর থেকে। ‘ফুটবল সম্রাট’ কিংবা ‘কালো মানিক’— যে নামেই ডাকেন না কেন, ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বশেষ হ্যাটট্রিক করেছিলেন কিংবদন্তি পেলে। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে মাত্র ১৭ বছর বয়সে ফ্রান্সের বিপক্ষে সেই কীর্তি গড়েছিলেন তিনি। এরপর কত সময় পেরলো, কত বিশ্বকাপ এলো-গেলো, কিন্তু ব্রাজিলের কোনো ফুটবলার বিশ্বকাপে আর হ্যাটট্রিকের দেখা পাননি। অথচ এই দীর্ঘ সময়ে কত রথী-মহারথী ব্রাজিলের হলুদ জার্সিতে বিশ্বজয় করেছেন। হ্যাটট্রিকের সেই দীর্ঘ খরা আজ কেটে যেতে পারত ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের হাত ধরে। কিন্তু বিধি বাম! ভিএআর বাতিল করে দেয় ভিনির একটি গোল। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতে দারুণ দক্ষতায় ট্যাপ-ইনে প্রথম গোল করেন তিনি। এরপর প্রথমার্ধের শেষদিকে হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। মাঝের ২২ মিনিটের গোলটি বাতিল না হলে বিশ্বকাপের মঞ্চে হ্যাটট্রিকের স্বাদ পেতে পারতেন ব্রাজিলের এই সুপারস্টার। হয়তো নাম লিখাতে পারতেন, পেলের পা
ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) যেন পুরো আমেজটাই নষ্ট করে দিল! নয়তো বৃহস্পতিবার ভোরে মায়ামির মাঠে ইতিহাসের পাতায় যুক্ত হতে পারত নতুন এক অধ্যায়। যে ইতিহাস ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে থমকে আছে ১৯৫৮ সালের পর থেকে।
‘ফুটবল সম্রাট’ কিংবা ‘কালো মানিক’— যে নামেই ডাকেন না কেন, ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বশেষ হ্যাটট্রিক করেছিলেন কিংবদন্তি পেলে। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে মাত্র ১৭ বছর বয়সে ফ্রান্সের বিপক্ষে সেই কীর্তি গড়েছিলেন তিনি। এরপর কত সময় পেরলো, কত বিশ্বকাপ এলো-গেলো, কিন্তু ব্রাজিলের কোনো ফুটবলার বিশ্বকাপে আর হ্যাটট্রিকের দেখা পাননি।
অথচ এই দীর্ঘ সময়ে কত রথী-মহারথী ব্রাজিলের হলুদ জার্সিতে বিশ্বজয় করেছেন। হ্যাটট্রিকের সেই দীর্ঘ খরা আজ কেটে যেতে পারত ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের হাত ধরে। কিন্তু বিধি বাম! ভিএআর বাতিল করে দেয় ভিনির একটি গোল। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতে দারুণ দক্ষতায় ট্যাপ-ইনে প্রথম গোল করেন তিনি। এরপর প্রথমার্ধের শেষদিকে হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। মাঝের ২২ মিনিটের গোলটি বাতিল না হলে বিশ্বকাপের মঞ্চে হ্যাটট্রিকের স্বাদ পেতে পারতেন ব্রাজিলের এই সুপারস্টার।
হয়তো নাম লিখাতে পারতেন, পেলের পাশে কিংবা লিওনিদাস ডি সিলভা বা আদেমির দে মেনেজেসের পাশে। যারা পেলেরও আগে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। তালিকাটা মাত্র তিনজনের। ভিনিসিয়ুস হতে পারতেন নবতম সংযোজন।
সেখানে না পারলেও আরেকটি অসাধারণ কীর্তিতে এই উইঙ্গার নিজেকে জড়িয়ে নিয়েছেন। পঞ্চম ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচে গোল করার অসাধারণ কীর্তি গড়েছেন। মরক্কোর বিপক্ষে দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেছিলেন ভিনিসিয়ুস। পরের ম্যাচে হাইতির বিপক্ষেও এক গোলের দেখা পান তিনি। আজ স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তার গোল সংখ্যা দুটি।
সব মিলিয়ে চার গোল করে ভিনিসিয়ুস রয়েছেন দারুণ ফর্মে। এর আগে বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে তিন ম্যাচে গোল করার রেকর্ড আছে জাইরজিনহো (১৯৭০), রোমারিও (১৯৯৪), রোনালদো (২০০২) ও রিভালদোর (২০০২)।
আকর্ষণীয় বিষয় হলো, ২০০২ সালের পর ব্রাজিল আর বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। সেবার রোনালদো ও রিভালদোর পারফরম্যান্স ছিল ঠিক এমনই চোখধাঁধানো। এবার ভিনিসিয়ুস ও কুনহা যেন সেলেসাওদের সেই সোনালি দিনগুলোর ছাপই ফিরিয়ে আনছেন। গ্রুপ পর্বের এই আগুনে পারফরম্যান্স দেখে সাম্বা ভক্তদের মনে এখন বড় প্রশ্ন— এবার কি তবে ঘুচবে ২৪ বছরের খরা? হেক্সা (ষষ্ঠ বিশ্বকাপ) জয়ের স্বপ্ন কি সত্যি করতে পারবে সেলেসাওরা?
What's Your Reaction?